ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই নীতিমালার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা মাঝ আকাশে বাংলাদেশ বিমানে যাত্রীদের মারামারি আসিফ মাহমুদ: বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাস বেছে নেব জ্বালানি সংকটের কারণে কোনো কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে এসপি মাসুদের নেতৃত্ব ডেঙ্গু মোকাবেলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সহযোগিতা চায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বরিশালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দাবি গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর ইউপি নির্বাচন ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে: নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ আগামী বছরের মার্চে নেপাল সফর করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে নতুন দেশ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তানের সেনাবাহিনী

এআই নীতিমালার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বর্তমানে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সরকার সম্প্রতি দেশের ৬৪ জেলায় তরুণদের জন্য বিনা মূল্যে দুই মাসের মৌলিক এআই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে, শুধুমাত্র প্রাথমিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এআই বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

জাতীয় এআই নীতিমালা ২০২৬-২০৩০-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে এবং জনমত নেওয়া হয়েছে। নীতিটি এখন চূড়ান্ত করার পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই নীতিকে কেবল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের একটি নথি হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়; বরং এটি জাতীয় অর্থনৈতিক নীতির অংশ হতে হবে।

সিঙ্গাপুর এবং ভারতের উদাহরণ উল্লেখ করে বলা হচ্ছে, এআই নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত কৌশল প্রয়োজন। বিশেষ করে, এআই দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দেশের প্রয়োজন এআই ডেটা সায়েন্টিস্ট, প্রোডাক্ট ডেভেলপার এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।

এআই দক্ষতাকে তিন স্তরে ভাগ করা যায়: ব্যবহারকারী, ইন্টিগ্রেটর এবং ক্রিয়েটর। দেশের বর্তমান ঘাটতি মূলত শেষ দুই স্তরে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

এআই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং সক্ষমতা এবং এআই-উপযোগী ডেটার সমন্বয় ঘটাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের একটি যৌথ এআই কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই নীতিমালার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

এআই নীতিমালার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বর্তমানে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সরকার সম্প্রতি দেশের ৬৪ জেলায় তরুণদের জন্য বিনা মূল্যে দুই মাসের মৌলিক এআই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে, শুধুমাত্র প্রাথমিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এআই বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

জাতীয় এআই নীতিমালা ২০২৬-২০৩০-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে এবং জনমত নেওয়া হয়েছে। নীতিটি এখন চূড়ান্ত করার পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই নীতিকে কেবল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের একটি নথি হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়; বরং এটি জাতীয় অর্থনৈতিক নীতির অংশ হতে হবে।

সিঙ্গাপুর এবং ভারতের উদাহরণ উল্লেখ করে বলা হচ্ছে, এআই নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত কৌশল প্রয়োজন। বিশেষ করে, এআই দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দেশের প্রয়োজন এআই ডেটা সায়েন্টিস্ট, প্রোডাক্ট ডেভেলপার এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।

এআই দক্ষতাকে তিন স্তরে ভাগ করা যায়: ব্যবহারকারী, ইন্টিগ্রেটর এবং ক্রিয়েটর। দেশের বর্তমান ঘাটতি মূলত শেষ দুই স্তরে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

এআই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং সক্ষমতা এবং এআই-উপযোগী ডেটার সমন্বয় ঘটাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের একটি যৌথ এআই কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।