নওগাঁ-৪৬/১ আসনের অন্তর্গত নিয়ামতপুর উপজেলা এখন তোলপাড়—কারণ একটাই: বিএনপির স্থানীয় শাখার সাধারণ সম্পাদকের ভাই মতিন প্রকাশ্যে দলের শীর্ষ নেতা, গণতন্ত্রের প্রতীক ও দেশনেতা তারেক রহমানকে নিয়ে চরম মাত্রার অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। যা শুধু অমার্জনীয় নয়, বরং রাজনৈতিক শৃঙ্খলার ওপর সরাসরি হামলা।
গত ২৫ মে ২০২৫ ইং তারিখে বিএনপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রচার করা হয়, যেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় বলেন, “আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” এই রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার জবাবে আব্দুল মতিন যে ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন—তা এমনকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষও ব্যবহার করতে সাহস করবে না।
এই মতিন নামের ব্যক্তি, যিনি কোনো পদেও নেই, যাঁর একমাত্র পরিচয়—একজন বিএনপি নেতার ভাই—তিনি কীসের ভরসায়, কার ক্ষমতায় এবং কোন দম্ভে দেশের সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক নেতাকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও নিন্দনীয় শব্দ ব্যবহার করেন? প্রশ্ন উঠেছে, এই লোকের পেছনে কারা আছে?
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে,মতিন দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। এই অপকর্মে জড়িত এক ব্যক্তি যদি আজ বিএনপির নেতৃত্বকে ব্যঙ্গ করার ‘সাহস’ দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে—অভ্যন্তরীণভাবে কোনো না কোনো দুর্বলতা বা বিশ্বাসঘাতকতা দলে কাজ করছে।
এই ঘটনায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন—এটি কেবল একটি ব্যক্তির বক্তব্য নয়, বরং এটি দলবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ। তারেক রহমানের মতো একজন আত্মনিবেদিত, ত্যাগী ও সাহসী নেতার বিরুদ্ধে এধরনের বিষোদগার কেবল বিএনপিকে বিভ্রান্ত করতে পারে, দুর্বল করতে পারে।
দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় বহু নেতাকর্মী স্পষ্ট ভাষায় বলছেন, যদি এই মতিন নামের ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখনই কঠোর দলীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হয়—তবে দলের শৃঙ্খলা ও আদর্শ ভেঙে পড়বে। রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান দরকার—যারা দলকে ভালোবাসে না, নেতাকে সম্মান করে না, তাদের জন্য বিএনপিতে কোনো জায়গা থাকা উচিত নয়।
এখন সময় এসেছে—দলীয় স্বার্থে, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের সম্মান রক্ষায়—এই মতিনের মতো মুখোশধারী শত্রুদের মুখোশ খুলে দেওয়ার। বিএনপি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি আদর্শ, একটি আন্দোলন, একটি জনগণের আকাঙ্ক্ষা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কেউ যদি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে, তবে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সময়ের দাবি।
স্টাফ রিপোর্টার, নওগাঁ 


















