গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্যাতনে হাত ভেঙ্গে যাওয়া শিক্ষার্থী হামিম শেখ (০৮) কে দেখতে গিয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ।
আজ মঙ্গলবার (০৩ জুন) বিকালে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ তারাশী গ্রামে অসুস্থ শিক্ষার্থী হামিম শেখের নানা বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় তিনি শিক্ষার্থী হামিম শেখের হাতে নতুন পোষাক ও ঈদ সামগ্রী তুলে দেন।
ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মাসুম বিল্লাহ বলেন, তারাশী-পবনাড়পাড় মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক হাফেজ মোঃ ইব্রাহিম খলিলের নির্যাতনে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের হামিম শেখ (০৮) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর হাত ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জেনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। তদন্ত কমিটি ১ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। আমি আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে শিশুটির শারীরিক খোঁজ খবর নিতে তাকে দেখতে যাই।
তিনি আরো বলেন, নির্যাতনকারী ওই শিক্ষককে আজ সকালে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। তাকে বহিস্কারের জন্য মাদ্রাসা কতৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য গত রবিবার সকালে তারাশী-পবনাড়পাড় মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক হাফেজ মোঃ ইব্রাহিম খলিল পড়া না পাড়ায় শিক্ষার্থী হামিম শেখকে বেত দিয়ে বেদম প্রহার করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে শিক্ষার্থী হামিমের হাত ভেঙ্গে যায়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মামা রবিবার রাতে বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, গোপালগঞ্জ 


















