ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় পানির টিউবয়েল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন করাদন্ড

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পানির টিউবয়েল হাতা চুরির অপবাদে মিন্টু (২৬) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ফারুক হোসেন (৪৩) ও আমিন উদ্দিন (৫৭) নামে দুইজনকে কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। সে সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন। আজ সকালের দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন। রায় ঘোষনার পর কঠোর পাহাড়ায় আমিন উদ্দিন কে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন এবং অপর আসামী ফারুক হোসেন পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন দৌলতপুর উপজেলার বেগুনবাড়ীয়া গ্রামের মাবুদ মন্ডলের ছেলে ফারুক হোসেন ও একই গ্রামের মৃত আমজাদ মন্ডলের ছেলে আমিন উদ্দিন।

মামলা সূত্রে জানা যায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বাড়ীর পানির টিউবয়ের হাতা চুরির অপবাদ দেওয়া হয় মিন্টুকে। ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী রাতের দিকে বাড়ীর উত্তর পাশ দিয়ে আসার পথে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একজোট হয়ে মিন্টুকে ঘিরে ধরে ভুট্টাক্ষেতে নেওয়ার দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ীভাবে মাথায় আঘাত করে। বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেলে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায় এবং মিন্টুকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরক চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় একদিন পরে মারা যান। এ বিষয়ে ঘটনার একদিন পরেই নিহতের পিতা মন্টু দৌলতপুর থানায় ১৬জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দৌলতপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আলমগীর কবীর তদন্ত শেষে করে গত ২০০৯ সালের ৫ মে আদালতে অভিযুক্ত সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করেন। দীর্ঘদিন স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ আদালত ১৪জনকে খালাস প্রদান করেন এবং দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন। তবে এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবারের স্বজনেরা।

বাদীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন কুষ্টিয়া জর্জ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম মুনির

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কুষ্টিয়ায় পানির টিউবয়েল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন করাদন্ড

আপডেট সময় : ০২:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পানির টিউবয়েল হাতা চুরির অপবাদে মিন্টু (২৬) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ফারুক হোসেন (৪৩) ও আমিন উদ্দিন (৫৭) নামে দুইজনকে কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। সে সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন। আজ সকালের দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন। রায় ঘোষনার পর কঠোর পাহাড়ায় আমিন উদ্দিন কে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন এবং অপর আসামী ফারুক হোসেন পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন দৌলতপুর উপজেলার বেগুনবাড়ীয়া গ্রামের মাবুদ মন্ডলের ছেলে ফারুক হোসেন ও একই গ্রামের মৃত আমজাদ মন্ডলের ছেলে আমিন উদ্দিন।

মামলা সূত্রে জানা যায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বাড়ীর পানির টিউবয়ের হাতা চুরির অপবাদ দেওয়া হয় মিন্টুকে। ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী রাতের দিকে বাড়ীর উত্তর পাশ দিয়ে আসার পথে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একজোট হয়ে মিন্টুকে ঘিরে ধরে ভুট্টাক্ষেতে নেওয়ার দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ীভাবে মাথায় আঘাত করে। বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেলে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায় এবং মিন্টুকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরক চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় একদিন পরে মারা যান। এ বিষয়ে ঘটনার একদিন পরেই নিহতের পিতা মন্টু দৌলতপুর থানায় ১৬জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দৌলতপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আলমগীর কবীর তদন্ত শেষে করে গত ২০০৯ সালের ৫ মে আদালতে অভিযুক্ত সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করেন। দীর্ঘদিন স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ আদালত ১৪জনকে খালাস প্রদান করেন এবং দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন। তবে এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবারের স্বজনেরা।

বাদীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন কুষ্টিয়া জর্জ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম মুনির