গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনব্যাপী কোটালীপাড়ার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে কবি সুকান্তের পৈত্রিক ভিটায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেল ৪ টায় জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপন্থিত থেকে বেলুন উড়িয়ে মেলাটির উদ্বোধন করেন।
এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:মঈনুল হকের সভাপতিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার গোপালগঞ্জের উপপরিচালক বিশ্বজিত পাল,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো:গোলাম কবির বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভার মুল প্রবদ্ধ উপস্থাপন করেন প্রভাষক প্রিন্স আহমেদ।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন শিল্পীদের অংশ গ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃকিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও এ মেলাকে কেন্দ্র করে বসেছিল গ্রামীন মেলা।
নাম প্রকাশে এক শিক্ষক বলেন, সাধারণত বিখ্যাক কবি-সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যু দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে মেলার আয়োজন করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোটালীপাড়ায় মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে সুকান্ত মেলা হয়ে আসছিল। এতদিন ওই সময়ে কেন এই আয়োজন হয়েছিল তা আমার বোধগম্য নয়। তবে এবার উপজেলা প্রশাসন কোভিদ মৃত্যুবার্ষিকীতে মেলার আয়োজন করে কবি মেলাকে সার্থক করেছেন।
জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, আগামীতে শুধু মেলা নয়, নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে বর্তমান ও আগামী প্রযন্মের কাছে কবি সুকান্তকে তুলে ধরা হবে।
উল্লেখ্যঃ কবি সুকান্ত ভট্রাচার্য ১৯২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কলকাতার কালীঘাটের মহিমা হালদার স্ট্রিটে জন্মগ্রহণ করলেও তার পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উনশিয়া গ্রামে।
তার বাবার নাম নিবারণ ভট্রাচার্য ও মায়ের নাম সুনীতি দেবী।
১৯৪৭ সালের ১৩ মে মাত্র ২১ বছর বয়সে কবি সুকান্ত ভট্রাচার্য মারা যায়।
ছাড়পত্র,ঘুম নেই, পূূর্বাভাস,অভিযান,হরতাল তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।সুকান্তের প্রতিটি কবিতায় অনাচার,বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর ধ্বনিত হয়েছে।
মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, গোপালগঞ্জ 


















