বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম গোপালগঞ্জ জেলা শাখার আমির অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, পুলিশের সিনিয়র এএসপি পলাশ সাহার পরিবারের সাথে কথা বলে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি তাতে আমাদের মনে হয়েছে তার স্ত্রীর নির্যাতনেই সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা পলাশের স্ত্রী সুষ্মিতা সাহার শাস্তি দাবী করছি।
আজ শুক্রবার বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশী গ্রামে পলাশ সাহার বাড়িতে গিয়ে তার মা ও ভাইদের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের কাছে অধ্যাপক রেজাউল করিম এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ৩ দিন পেরিয়ে গেলেও পলাশ সাহার স্ত্রী সুষ্মিতা সাহাকে কেন এখনও আটক করা হয়নি? আমরা প্রশাসনের কাছে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্মিতা সাহাকে আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাই।
এর আগে অধ্যাপক রেজাউল করিম গোপালগঞ্জ জেলা ও কোটালীপাড়া উপজেলা জামায়াত ইসলামের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে নিয়ে পলাশ সাহার বাড়িতে আসেন। এসময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। পলাশ সাহার মা আরতি সাহা ও বড় ভাই লিটন সাহাসহ উপস্থিত আত্মীয়স্বজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
জামায়াত নেতা অধ্যাপক রেজাউল করিম এএসপি পলাশ সাহার মা ও ভাইকে শান্তনা দিতে গিয়ে বলেন, আমি ও আমার সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম আপনাদের পাশে আছি।
উল্লেখ্য গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় এএসপি পলাশ সাহা পারিবারিক কলহের জের ধরে র্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পের নিজ অফিস কক্ষে আত্মহত্যা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার পারকোনা মহাশশ্মানে তার অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
এরপর অধ্যাপক রেজাউল করিম জামায়াত ইসলামের পক্ষ থেকে উপজেলার কুশলা বাজারে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১০ জন ব্যবসায়ীদের ১০ হাজার টাকা করে ১ লক্ষ টাকা তুলে দেন। কুশলা মাদ্রাসা মাঠে এই অর্থিক সহায়তা বিতরণকালে জেলা সেক্রেটারী মোহাম্মদ আল মাসুদ খান, উপজেলা আমীর গাজী সোলায়মান, সেক্রেটারী মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসুদ, উপজেলা বায়তুলমাল মাওলানা মহিবুল্লাহ পৌর সভাপতি খলিফা মুনসুর আহমেদ, সেক্রেটারী আক্তার দাড়িয়া, কুশলা ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন।
মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, গোপালগঞ্জ 


















