ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে পুলিশ সদস্যসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

কক্সবাজার জেলার রামু থানার ওয়ারলেস অপারেটর (কনস্টেবল) সহ তিনজনকে ইয়াবা সহ আটক করেছে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫০০ টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় এই অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে আটককৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানার পাঙ্গাস গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ খানের ছেলে রামু থানার ওয়ারলেস অপারেটর জাহিদুল ইসলাম (৩৩), চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই থানার কমল মুন্সির হাট এলাকার বাবুল চৌধুরীর ছেলে অভিজিৎ চৌধুরী (৩৫) ও চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাইন্যারহাট, ডাবুয়া এলাকার নান্টু চৌধুরীর ছেলে পূষন চৌধুরী (৩৭)।

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা জানিয়েছেন- পুলিশ সদস্য জাহিদুল ইসলাম মন্ডলপাড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাড়িতে সামনে পার্কিং করা প্রাইভেট কার থেকে ৭ হাজার ৫০০ টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকাবাসী জানান জাহিদের বাসায় প্রায় সময় বাইরের লোকজন আসা যাওয়া করত, এবং ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক সেবন চলত। কিন্তু তারা সবাইকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে তটস্থ রাখত।

সৌদি প্রবাসী মুবারক হোসেনের স্ত্রী তসলিমা বেগম (বলতিনি)’র মালিকানাধীন ভাড়া বাসায় পুলিশ কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল – এলাকার কিছু মানুষের এরকম তথ্যের ভিত্তিতে তাদের উপরে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি করা হয়। অভিযান চলাকালে তার ওই ভাড়া বাসায় ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিদেশী মদের খালি বোতল দেখা গেছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে পুলিশ সদস্যসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

আপডেট সময় : ১২:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

কক্সবাজার জেলার রামু থানার ওয়ারলেস অপারেটর (কনস্টেবল) সহ তিনজনকে ইয়াবা সহ আটক করেছে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫০০ টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় এই অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে আটককৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানার পাঙ্গাস গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ খানের ছেলে রামু থানার ওয়ারলেস অপারেটর জাহিদুল ইসলাম (৩৩), চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই থানার কমল মুন্সির হাট এলাকার বাবুল চৌধুরীর ছেলে অভিজিৎ চৌধুরী (৩৫) ও চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাইন্যারহাট, ডাবুয়া এলাকার নান্টু চৌধুরীর ছেলে পূষন চৌধুরী (৩৭)।

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা জানিয়েছেন- পুলিশ সদস্য জাহিদুল ইসলাম মন্ডলপাড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাড়িতে সামনে পার্কিং করা প্রাইভেট কার থেকে ৭ হাজার ৫০০ টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকাবাসী জানান জাহিদের বাসায় প্রায় সময় বাইরের লোকজন আসা যাওয়া করত, এবং ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক সেবন চলত। কিন্তু তারা সবাইকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে তটস্থ রাখত।

সৌদি প্রবাসী মুবারক হোসেনের স্ত্রী তসলিমা বেগম (বলতিনি)’র মালিকানাধীন ভাড়া বাসায় পুলিশ কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল – এলাকার কিছু মানুষের এরকম তথ্যের ভিত্তিতে তাদের উপরে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি করা হয়। অভিযান চলাকালে তার ওই ভাড়া বাসায় ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিদেশী মদের খালি বোতল দেখা গেছে।