কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে ১৮ দিন বাড়িতে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফজলু হককে গ্রেফতার করেছে রাজারহাট থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত ফজলু মিয়া লালমনিরহাটের চরগোকুন্ডা এলাকার টেংরা মামুদ এর ছেলে বলে জানা যায়। এর আগে গত শুক্রবার রাতে রংপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে রাজারহাট থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়.আত্মীয়তার সুবাদে গত ২ মার্চ রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের সুলতান মাহমুদ গ্রামের ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে যায় গাড়ি চালক ফজলুল হক ও তার স্ত্রী।এসময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদরের চরগোকুন্ডা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় ওই কিশোরীকে। পরে গাড়ি চালক ফজলুর স্ত্রীর সহযোগিতায় কিশোরীকে তাদের বাড়িতে আটকে রেখে ১৮ দিন যাবত ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও ধারন করে ফজলুল ও তার সহযোগী সেলিম।এরপর বুধবার রাতে ওই কিশোরী কৌশলে পালিয়ে নিজ বাড়িতে আসার সময় ফজলুলের লোকজন ধাওয়া দিলে পার্শ্ববর্তী রাজারহাটের গতিয়াসাম গ্রামে আব্দুল বাছেদ মিয়ার বাড়িতে সে আশ্রয় নেয়। সেখানে তাদেরকে তার জীবনে ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক ঘটনার বর্ণণা দেন কিশোরী।পরে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে কিশোরী নিজেই রাজারহাট থানায় ধর্ষণ মামলা হলে শুক্রবার রাতে রংপুর থেকে প্রধান আসামি ফজলুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে রাজারহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তছলিম উদ্দিন বলেন,এ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফজলুকে রংপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও দুই আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
NUSRAT JAHAN 


















