শিরোনাম
চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির নয়না’র প্রেমে পড়েছেন বালাম আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দিন দিন কমছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত সৌদি পৌঁছেছেন প্রায় সাড়ে ৪১ হাজার হজযাত্রী ‘মাইকেল জ্যাকসন’ থেকে প্রিয়াঙ্কার স্বামী, কে নেই কানে কুষ্টিয়ার খোকসায় ছাত্র লীগ নেতা শিমুলের বিরুদ্ধে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগ  বরিশালে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক রেফাউলকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮ সিরাজদিখানের মালখানগরে আনারস প্রতীকের উঠান বৈঠক ‘রেমালের’ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাগেরহাটে চিরকাল শত্রুরা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে: পরীমনি এমপি আনারের লাশের টুকরোর সন্ধানে জোর তল্লাশি, খালে ফেলা হলো জাল ও নৌকা সিরাজদিখানে মধ্যপাড়া একতা যুব সংঘ ও সমিতি উদ্যোগে কিডনি রোগীকে নগদ অর্থ অনুদান সিরাজদিখানে টিয়া পাখি প্রতীকের গনসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হত্যার পর ৮০ টুকরো করা হয় এমপি আনারের দেহ কুষ্টিয়া ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০০পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-০১ দেশে ফিরে থলের বিড়াল বের করে দেব: নিপুণ সেভ দ্যা ফিউচার ফাউন্ডেশন প্রস্তুতি সভা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত ভারতে নিখোঁজ এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধার হরিণাকুন্ডু ও শৈলকুপায় যারা বিজয়ী হলেন 
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বকেয়া ৩৩ হাজার ১০৯ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) ৩৩ হাজার ১০৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বকেয়া পায় সরকারি, বেসরকারি ও ভারতীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

মঙ্গলবার (৭ মে) জাতীয় সংসদে পৃথক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এই তথ্য জানান।সরকারি দলের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদের প্রশ্নে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সরকারি, বেসরকারি, যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত উৎপাদন কোম্পানি এবং আমদানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ক্রয় করে তা বিতরণ সংস্থা বা কোম্পানির কাছে বিক্রয় করে। সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলো বিপিডিবির কাছে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ হাজার ৩৯১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। আর বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানিগুলো ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৫ হাজার ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বকেয়া পায়। যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর পাওনা ২ হাজার ৪১৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।’

 

আদানিসহ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বিপিডিবির কাছে বিভিন্ন কোম্পানির ৫ হাজার ২৯৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা পায় বলে জানান তিনি।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগারের প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদার চেয়েও স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা বেশি। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতায় ঘাটতি না থাকলেও করোনা পরবর্তীতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে পরিপূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না।’

 

কিছু কিছু স্থানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। এছাড়া প্রচণ্ড গরম ও দেশের কোথাও কোথাও তাপপ্রবাহ থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন বৃদ্ধির ওপরও জোর দেয়া হচ্ছে বলে জানান নসরুল হামিদ।

 

অচিরেই সবাইকে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকার সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

সরকারি দলের সংসদ সদস্য আহমদ হোসেনের প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গভীর সমুদ্রে খনিজ সম্পদ আহরণে এরইমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। এক্সন মবিল, শেভরণসহ ১৭টি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা টুডি জরিপের ফলাফল নিয়েছে। বুধবার তাদের সঙ্গে প্রি-বিড মিটিং আছে। বিডিং প্রসেস আগামী সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে কোম্পানি নিয়োগ করা যাবে এবং তেল–গ্যাস থাকলে ৭-৮ বছর পর উত্তোলন শুরু করা যাবে।’


এই বিভাগের আরও খবর