আগামীকাল শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কূপটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে।
বিজিএফসিএল তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে নতুন তিনটি কূপ খনন করছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এসব কূপ থেকে আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে দৈনিক ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক জানান, নতুন কূপগুলো থেকে গ্যাস পাওয়া গেলে বেশি দামে আমদানি করা এলএনজির ওপর চাপ কমবে।
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ খননের প্রকল্পের আওতায় ২৯ নম্বর কূপের কাজ শেষ হয়েছে এবং ৩১ নম্বর কূপের খননকাজ চলছে। ৩১ নম্বর কূপের খনন শেষ হলে ৩০ নম্বর কূপের কাজ শুরু হবে।
বিজিএফসিএল বলছে, তিতাসে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থাকতে পারে। ৩১ নম্বর কূপটি দেশের প্রথম ও সবচেয়ে গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ, যা পাঁচ হাজার ৬০০ মিটার গভীরে খনন করা হচ্ছে।
প্রতিনিধির নাম 























