নাটোরের গুরুদাসপুরে পরিবারের অসতর্কতার কারণে বালতির পানিতে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে ১০ মাস বয়সী ফাতেমা নামের এক শিশু কন্যার।
নিহত শিশুটি উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের দড়িহাসমারী গ্রামের মোল্লাপাড়ার মো. আল আমিনের মেয়ে।
রবিবার( ৮ জুন) দুপুরে বাড়ির আঙিনায় খেলার সময় পরিবারের সদস্যদের অজান্তে একটি পানিভর্তি বালতির পাশে চলে যায় ফাতিমা। খেলার এক পর্যায়ে সে বালতির মধ্যে পড়ে যায় এবং দ্রুতই পানিতে ডুবে যায়। কিছুক্ষণ পর পরিবারের লোকজন খেয়াল করে তাকে পানি থেকে তুলে গুরুতর অবস্থায় গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটির মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, পরিবারের সদস্যরা তখন ঘরের ভেতরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। শিশুটিকে কিছু সময় চোখে না পড়ায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আঙিনার এক কোণে রাখা বালতিতে ডুবে থাকতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. স্নিগ্ধা বলেন, “শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। এটি একটি ট্র্যাজিক এক্সিডেন্ট, যা প্রতিরোধযোগ্য ছিল।”
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “এই ধরনের দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। শিশুদের বিষয়ে পরিবারের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।”
শিশু মৃত্যুর এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করে, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে অধিক সচেতনতা প্রয়োজন।
রাশিদুল ইসলাম,গুরুদাসপুর 

















