মেঘনা ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের খেলাপি ঋণ নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মেঘনা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল সাবেক মন্ত্রী আশিকুর রহমানের হাতে, আর মিডল্যান্ড ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছিল কাজী জাফরউল্লাহর অধীনে। সরকার পতনের পর ব্যাংক দুটির পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আসে।
মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন উজমা চৌধুরী এবং মিডল্যান্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন আহসান খান চৌধুরী। তারা সম্পর্কে ভাই-বোন। তবে নতুন ব্যবস্থাপনায় আসার পর থেকে ব্যাংক দুটিতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একই পরিবারের দুই সদস্যের ব্যাংক পরিচালনার ঘটনা বাংলাদেশে এই প্রথম।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ উজমা চৌধুরী মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ২৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩.৭৮ শতাংশ। চলতি বছরের জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩৩ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫.৬০ শতাংশ।
অন্যদিকে, আহসান খান চৌধুরী মিডল্যান্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান হওয়ার আগে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ২৩৯ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩.৭৮ শতাংশ। চলতি বছরের জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪১২ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫.৬৭ শতাংশ।
ব্যাংক দুটির চেয়ারম্যান ও এমডি-দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। উজমা চৌধুরী ২০১৩ সালে মেঘনা ব্যাংকের উদ্যোক্তা ছিলেন এবং আহসান খান চৌধুরীও একই সময়ে মিডল্যান্ড ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রতিনিধির নাম 






















