ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিল্পকারখানায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ায় উৎপাদন স্বাভাবিক হয়েছে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগের পর শিল্পকারখানায় গ্যাসের সরবরাহ ও চাপ বাড়ায় উৎপাদন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। গ্যাসনির্ভর অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরেছে। উৎপাদন বন্ধ বা সীমিত রাখা কারখানাগুলোও ধীরে ধীরে পুরোদমে উৎপাদনে ফিরছে।

পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস সরবরাহের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। এক মাস আগে দৈনিক সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ৩০০ এমএমসিএফডি, অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩০০ এমএমসিএফডি বেড়েছে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ দেড় মাস আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানান। এর পর থেকেই শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে শুরু করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে অধিকাংশ কারখানা উৎপাদনে ফিরেছে।’

শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সাম্প্রতিক সময়ে যে উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা ধীরে ধীরে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

শিল্পকারখানায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ায় উৎপাদন স্বাভাবিক হয়েছে

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগের পর শিল্পকারখানায় গ্যাসের সরবরাহ ও চাপ বাড়ায় উৎপাদন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। গ্যাসনির্ভর অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরেছে। উৎপাদন বন্ধ বা সীমিত রাখা কারখানাগুলোও ধীরে ধীরে পুরোদমে উৎপাদনে ফিরছে।

পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস সরবরাহের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। এক মাস আগে দৈনিক সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ৩০০ এমএমসিএফডি, অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩০০ এমএমসিএফডি বেড়েছে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ দেড় মাস আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানান। এর পর থেকেই শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে শুরু করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে অধিকাংশ কারখানা উৎপাদনে ফিরেছে।’

শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সাম্প্রতিক সময়ে যে উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা ধীরে ধীরে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।