পাবনা শহরে হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নাশকতার পর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে আওয়ামী লীগের ১৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব (৬২) এবং তার সহযোগীসহ ১৩ জন। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, তারা বড় ধরনের নাশকতার জন্য মাইক্রোবাসে করে পাবনা শহরে এসেছিলেন এবং নাশকতার পর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
ওসি বলেন, পুলিশের কাছে তাদের পরিকল্পনার বিষয়ে আগে থেকেই গোপন তথ্য ছিল। পরে সদর থানা, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সিআরটি ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে নাশকতায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
আব্দুল ওহাবকে এর আগে ৫ আগস্টের পর তৃতীয়বার আটক করা হলো। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তাকে প্রথমবার আটক করা হয়েছিল, পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল রাতে তাকে পুনরায় আটক করা হয়েছিল।
এদিকে, একটি সূত্রের দাবি, আগের কর্মকাণ্ডের কারণে ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আব্দুল ওহাবের যোগাযোগ ছিল এবং সর্বশেষ নাশকতার পর ভারতে গিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা ছিল। তবে এ দাবির বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিনিধির নাম 













