ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

অভিনেতা প্রবীর মিত্র মারা গেছেন

  • Mst Sweety
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

চলচ্চিত্রের মানুষদের শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রবীর মিত্র।  রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  মৃতুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৪ বছর। তিনি এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার বাদ জোহর বিএফডিসিতে নামাজে জানাযা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। ১৩দিন ধরে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত “জলছবি” চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে। ১৯৮২ সালে তিনি “বড় ভাল লোক ছিল” চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৮ সালে আজীবন সম্মাননা বিভাগে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪ যুগ ধরে ৪০০ টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

চাঁদপুর শহরে এক কায়স্থ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন প্রবীর মিত্র। বংশপরম্পরায় পুরনো ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা প্রবীর মিত্র। তিনি ঢাকা শহরেই বেড়ে ওঠেন৷ তিনি প্রথম জীবনে সেন্ট গ্রেগরি থেকে পোগজ স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। প্রবীর মিত্রের স্ত্রী অজন্তা মিত্র ২০০০ সালে মারা গেছেন। তার এক মেয়ে তিন ছেলে। ছোট ছেলে ২০১২ সালে ৭ই মে মারা গেছেন। কায়স্থ হিন্দু পরিবারে জন্ম হলেও পরবর্তীতে প্রবীর মিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও বিনোদন সাংবাদিকতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)। এক শোক বার্তায় বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ, সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার বলেন, প্রবীর মিত্রের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রের আরো একটি নক্ষত্রের পতন ঘটলো। তার মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। বলিষ্ঠ অভিনয়ের কারণে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে চির অমর হয়ে থাকবেন। আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

অভিনেতা প্রবীর মিত্র মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

চলচ্চিত্রের মানুষদের শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রবীর মিত্র।  রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  মৃতুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৪ বছর। তিনি এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার বাদ জোহর বিএফডিসিতে নামাজে জানাযা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। ১৩দিন ধরে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত “জলছবি” চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে। ১৯৮২ সালে তিনি “বড় ভাল লোক ছিল” চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৮ সালে আজীবন সম্মাননা বিভাগে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪ যুগ ধরে ৪০০ টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

চাঁদপুর শহরে এক কায়স্থ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন প্রবীর মিত্র। বংশপরম্পরায় পুরনো ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা প্রবীর মিত্র। তিনি ঢাকা শহরেই বেড়ে ওঠেন৷ তিনি প্রথম জীবনে সেন্ট গ্রেগরি থেকে পোগজ স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। প্রবীর মিত্রের স্ত্রী অজন্তা মিত্র ২০০০ সালে মারা গেছেন। তার এক মেয়ে তিন ছেলে। ছোট ছেলে ২০১২ সালে ৭ই মে মারা গেছেন। কায়স্থ হিন্দু পরিবারে জন্ম হলেও পরবর্তীতে প্রবীর মিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও বিনোদন সাংবাদিকতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)। এক শোক বার্তায় বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ, সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার বলেন, প্রবীর মিত্রের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রের আরো একটি নক্ষত্রের পতন ঘটলো। তার মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। বলিষ্ঠ অভিনয়ের কারণে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে চির অমর হয়ে থাকবেন। আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।