ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

 মৃত্যুর পর আফসোস করবে যে ৩ শ্রেণীর লোক

  • মোছাঃ সুইটি
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে
 
মুসলিম শরিফে আরও বর্ণিত হয়েছে, হজরত আনাস (রা.) নিজেও যখন কোনো একটি দোয়া করার ইচ্ছা করতেন, তখন এ দোয়াটি করতেন। আর যখন বিভিন্ন দোয়া করার ইচ্ছা করতেন, তখন সেগুলোর মধ্যে এ দোয়াও থাকতো। (মুসলিম ২৬৮৮)
 
এ দোয়াটিকে নবীজির সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি গুরুত্ব দেয়া বা পছন্দ করার কারণ হলো, এ দোয়াটিতে একইসাথে দুনিয়ার কল্যাণ, আখেরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করা হয়েছে এবং জাহান্নাম থেকেও মুক্তি প্রার্থনা করা হয়েছে।
 
হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ‘জাওয়ামে’ অর্থাৎ দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ বা সব মুসলমানদের কল্যাণ প্রার্থনা অন্তর্ভুক্ত থাকে এমন দোয়া পছন্দ করতেন এবং এ রকম দোয়া ছাড়া অন্যান্য দোয়া পরিহার করতেন। (আবু দাউদ ১৪৮২)
 
এ দোয়া প্রসঙ্গে হজরত আনাস (রা.) থেকে আরেকটি হাদিস বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার খুব অসুস্থ এক ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করেছিলে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি দোয়া করেছিলাম, আল্লাহ যেন আমাকে আখিরাতে শাস্তি না দিয়ে আমার অপরাধের শাস্তি এই দুনিয়াতেই দিয়ে দেন!
ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

 মৃত্যুর পর আফসোস করবে যে ৩ শ্রেণীর লোক

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
 
মুসলিম শরিফে আরও বর্ণিত হয়েছে, হজরত আনাস (রা.) নিজেও যখন কোনো একটি দোয়া করার ইচ্ছা করতেন, তখন এ দোয়াটি করতেন। আর যখন বিভিন্ন দোয়া করার ইচ্ছা করতেন, তখন সেগুলোর মধ্যে এ দোয়াও থাকতো। (মুসলিম ২৬৮৮)
 
এ দোয়াটিকে নবীজির সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি গুরুত্ব দেয়া বা পছন্দ করার কারণ হলো, এ দোয়াটিতে একইসাথে দুনিয়ার কল্যাণ, আখেরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করা হয়েছে এবং জাহান্নাম থেকেও মুক্তি প্রার্থনা করা হয়েছে।
 
হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ‘জাওয়ামে’ অর্থাৎ দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ বা সব মুসলমানদের কল্যাণ প্রার্থনা অন্তর্ভুক্ত থাকে এমন দোয়া পছন্দ করতেন এবং এ রকম দোয়া ছাড়া অন্যান্য দোয়া পরিহার করতেন। (আবু দাউদ ১৪৮২)
 
এ দোয়া প্রসঙ্গে হজরত আনাস (রা.) থেকে আরেকটি হাদিস বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার খুব অসুস্থ এক ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করেছিলে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি দোয়া করেছিলাম, আল্লাহ যেন আমাকে আখিরাতে শাস্তি না দিয়ে আমার অপরাধের শাস্তি এই দুনিয়াতেই দিয়ে দেন!