ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু শুক্রবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম স্থির, সাপ্তাহিক দরপতনের পথে

কোটালীপাড়ায় ব্রীজ রক্ষার দাবীতে শিশু শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বেইলী ব্রীজ রক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিশু শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার দুপুরে উপজেলার তারাশী গ্রামে এই বিক্ষোভ মিছিল করে তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গোপালগঞ্জ-পয়সারহাট সড়কের পাশে তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ থেকে ১১ বছর বয়সী প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। শিক্ষার্থীরা এতোদিন ধরে উক্ত সড়কের পাশের পুরাতন বেইলি ব্রীজ দিয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে স্কুলটিতে যাতায়াত করে আসছিলো।
গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে লোকজন আজ সেতুটি ভাঙ্গতে এলে তাৎক্ষণিক উক্ত বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল করে সেতু না ভাঙ্গার দাবী জানায়।
শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রেক্ষিতে সেতুটি না ভেঙ্গে চলে যায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফ হোসেন জানান, বেইলী সেতুটি ভেঙ্গে ফেললে আমরা বিপদে পড়বো। তখন মহাসড়ক দিয়ে স্কুলে আসতে হবে। যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহসিনা নূর তুষ্টি বলেন, সেতুটি ভেঙে ফেলা মানে আমাদের বিপদের মধ্যে ফেলে দেওয়া।
শিক্ষার্থী অভিভাবক পলাশ সাহা বলেন, ব্রীজটি দিয়ে শুধুমাত্র শিক্ষার্থী ও পথচারীরা চলাচল করে। এটি অপসারণ না করে সংস্কারের মাধ্যমে চলাচল অব্যাহত রাখার দাবী জানাই।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার অধীকারী বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বেইলী ব্রীজটি অপসারণ নয় সংস্কার প্রয়োজন। ব্রীজটি অপসারণ করা হলে শিশু শিক্ষার্থীদের মহাসড়কে মৃত্যু ভয় নিয়ে চলতে হবে।

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তার বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। আগামীকাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা নিয়ে ঘটনাস্থলে যাবো। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কোটালীপাড়ায় ব্রীজ রক্ষার দাবীতে শিশু শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৩:০০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বেইলী ব্রীজ রক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিশু শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার দুপুরে উপজেলার তারাশী গ্রামে এই বিক্ষোভ মিছিল করে তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গোপালগঞ্জ-পয়সারহাট সড়কের পাশে তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ থেকে ১১ বছর বয়সী প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। শিক্ষার্থীরা এতোদিন ধরে উক্ত সড়কের পাশের পুরাতন বেইলি ব্রীজ দিয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে স্কুলটিতে যাতায়াত করে আসছিলো।
গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে লোকজন আজ সেতুটি ভাঙ্গতে এলে তাৎক্ষণিক উক্ত বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল করে সেতু না ভাঙ্গার দাবী জানায়।
শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রেক্ষিতে সেতুটি না ভেঙ্গে চলে যায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফ হোসেন জানান, বেইলী সেতুটি ভেঙ্গে ফেললে আমরা বিপদে পড়বো। তখন মহাসড়ক দিয়ে স্কুলে আসতে হবে। যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহসিনা নূর তুষ্টি বলেন, সেতুটি ভেঙে ফেলা মানে আমাদের বিপদের মধ্যে ফেলে দেওয়া।
শিক্ষার্থী অভিভাবক পলাশ সাহা বলেন, ব্রীজটি দিয়ে শুধুমাত্র শিক্ষার্থী ও পথচারীরা চলাচল করে। এটি অপসারণ না করে সংস্কারের মাধ্যমে চলাচল অব্যাহত রাখার দাবী জানাই।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার অধীকারী বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বেইলী ব্রীজটি অপসারণ নয় সংস্কার প্রয়োজন। ব্রীজটি অপসারণ করা হলে শিশু শিক্ষার্থীদের মহাসড়কে মৃত্যু ভয় নিয়ে চলতে হবে।

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তার বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। আগামীকাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা নিয়ে ঘটনাস্থলে যাবো। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।