ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ ইবি শিক্ষার্থীর ১৯৩ কোটি টাকায় জন্মনিয়ন্ত্রণের খাওয়ার বড়ি কিনবে সরকার শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করায় শিক্ষার্থী আটক কুষ্টিয়া সীমান্তে মাদক কারবার নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ তারেক রহমানের নির্দেশনায় যুবদল নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ নেতা হিরো ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আলামিন অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার মিয়ানমারে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা আহত, বাংলাদেশে চিকিৎসা চলছে ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে উৎপাদন বৃদ্ধির তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন: আদালত চত্বরে ৩ আওয়ামীপন্থী আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে তিন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীকে মারধর ও দুটি চেম্বার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা ঘটে গতকাল বুধবার (১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে।

মারধরের শিকার আইনজীবীরা হলেন সানোয়ার মল্লিক, শাহীন খান ও তানিয়া সুলতানা। তারা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনার জন্মদিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে কয়েকজন আইনজীবী কর্মসূচির আয়োজন করেন। এর প্রতিবাদে বিএনপির কয়েকজন নেতা–কর্মী আদালত চত্বরে মিছিল করেন।

মিছিলের নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ। অভিযোগ রয়েছে, মিছিল থেকে সানোয়ার মল্লিককে মারধর করা হয় এবং পরে তাকে আদালত ভবনের সামনে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। সানোয়ার মল্লিক জানান, হামলাকারীরা তাকে রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছেন। তিনি বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মাহবুব মোর্শেদ মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপি আদালত চত্বরে মিছিল করেছে প্রতিবাদে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে বিএনপির নেতাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

মিছিল শেষে বিএনপির কয়েকজন নেতা শাহীন খান ও তানিয়া সুলতানার চেম্বারে প্রবেশ করে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুরের অভিযোগ করেন। তানিয়া সুলতানা জানান, হামলাকারীরা তাদের চেম্বারে প্রবেশ করে মারধর করেন এবং তারা আতঙ্কিত হয়ে আইনজীবী সমিতিকে বিষয়টি জানান।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ ইবি শিক্ষার্থীর

শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন: আদালত চত্বরে ৩ আওয়ামীপন্থী আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে তিন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীকে মারধর ও দুটি চেম্বার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা ঘটে গতকাল বুধবার (১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে।

মারধরের শিকার আইনজীবীরা হলেন সানোয়ার মল্লিক, শাহীন খান ও তানিয়া সুলতানা। তারা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনার জন্মদিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে কয়েকজন আইনজীবী কর্মসূচির আয়োজন করেন। এর প্রতিবাদে বিএনপির কয়েকজন নেতা–কর্মী আদালত চত্বরে মিছিল করেন।

মিছিলের নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ। অভিযোগ রয়েছে, মিছিল থেকে সানোয়ার মল্লিককে মারধর করা হয় এবং পরে তাকে আদালত ভবনের সামনে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। সানোয়ার মল্লিক জানান, হামলাকারীরা তাকে রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছেন। তিনি বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মাহবুব মোর্শেদ মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপি আদালত চত্বরে মিছিল করেছে প্রতিবাদে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে বিএনপির নেতাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

মিছিল শেষে বিএনপির কয়েকজন নেতা শাহীন খান ও তানিয়া সুলতানার চেম্বারে প্রবেশ করে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুরের অভিযোগ করেন। তানিয়া সুলতানা জানান, হামলাকারীরা তাদের চেম্বারে প্রবেশ করে মারধর করেন এবং তারা আতঙ্কিত হয়ে আইনজীবী সমিতিকে বিষয়টি জানান।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।