যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে সন্দেহজনক নিরাপত্তা ঘটনার সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিবিসিকে এ তথ্য জানান।
ঘাঁটিতে তদন্ত চলছে এবং রোববার সেখানে ২০-এর কোঠায় বয়সী পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরকসংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। বার্নহ্যাম বলেন, ঘটনার তদন্ত জটিল এবং গুরুতর, এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হচ্ছে।
তবে ইরান এ অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বার্নহ্যামের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করা সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ইরানের বিশ্বাস অনেক কিছুই বলে দেয়।
ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমান ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের পর ব্রিটিশ পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের ব্যবহৃত যানবাহনে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি, তবে ‘কিছু পরিমাণ পেট্রোল’ উদ্ধার করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা সন্দেহভাজনদের জামিনে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। ব্রিটিশ সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের প্রধান লরেন্স টেলর বলেন, সন্দেহভাজনরা এখনো তদন্তের আওতায় রয়েছেন এবং জামিনে মুক্তির সিদ্ধান্ত কৌশলগত বিবেচনার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 
























