সন্তানকে রেখে হাসপাতালে ভর্তি হতে চাননি ২১ বছর বয়সী মা জান্নাতুল মাওয়া সুমাইয়া। ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পরও তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিতে বেছে নেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডেঙ্গুর কারণে তাকে পৃথিবী ত্যাগ করতে হলো।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে সাগরে তার মৃত্যু ঘটে। পরে চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুমাইয়া সন্দ্বীপ উপজেলার মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষক আবু তালেব নিশাদের স্ত্রী। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়া গত পাঁচ দিন ধরে তীব্র জ্বরে ভুগছিলেন এবং সোমবার তার ডেঙ্গু পজিটিভ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শ সত্ত্বেও তিনি সন্তান আতিফের দেখাশোনার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে চাননি।
সন্দ্বীপ মেডিকেল সেন্টার সূত্রে জানা যায়, তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে আইসিইউ ব্যবস্থা না থাকায় তাকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এদিকে সন্দ্বীপে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, গত ১৫ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে এবং মধ্যবয়সী ও শিশুদের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে।
প্রতিনিধির নাম 




















