ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

আসছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’

  • Meghla
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ক্যারিয়ারে অন্যতম স্মরণীয় সিনেমা ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই মানবিক ও আবেগঘন ছবিটি দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। এবার সেই ব্লকবাস্টার ছবির সিক্যুয়াল নির্মাণের সম্ভাবনার কথা জানালেন ছবিটির পরিচালক কবীর খান।

সম্প্রতি ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কবীর খান বলেন, তিনি সবসময় তার পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। সালমান খানের সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং দুজন মিলে বিভিন্ন গল্প নিয়ে আলোচনা করেন। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’-এর সম্ভাব্য গল্পও।

তবে কবীর খান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার সুবিধা নিতে বা ঘোষণার জন্য সিক্যুয়াল তৈরি করতে চান না। তার ভাষায়, ”আমরা প্রথম ছবির জনপ্রিয়তাকে ভাঙিয়ে কিছু করতে চাই না। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তবেই দ্বিতীয় পর্ব নির্মাণ করব। তাই সঠিক গল্প পাওয়াটাই এখন মুখ্য।”

পরিচালক আরও বলেন, তার পুরো পরিচালনা ক্যারিয়ারে তিনি কখনও কোনো সিনেমার সিক্যুয়াল বানাননি। কিন্তু ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’ নিয়ে তিনি উৎসাহী। তিনি এটিকে কেবল বক্স অফিস সাফল্যের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং মূল ছবির উত্তরাধিকার ধরে রাখার চেষ্টার অংশ হিসেবেই বিবেচনা করছেন।

এছাড়া সালমান খানের ফের থাকাটাও সম্ভব বলে জানিয়েছেন কবীর খান। তবে তিনি মনে করেন, সিনেমার গল্পই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নায়ককে সামনে রেখে নয়, বরং শক্তিশালী গল্প দিয়েই সিনেমা তৈরি হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমায় এক বোবা পাকিস্তানি শিশুকে তার দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার মানবিক গল্প দেখানো হয়, যেখানে সালমান খান অভিনয় করেন এক উদার হৃদয়ের ভারতীয় তরুণের চরিত্রে। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায় এবং দুই দেশের মানুষের মাঝে ভালোবাসা ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

আসছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’

আপডেট সময় : ০১:২৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ক্যারিয়ারে অন্যতম স্মরণীয় সিনেমা ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই মানবিক ও আবেগঘন ছবিটি দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। এবার সেই ব্লকবাস্টার ছবির সিক্যুয়াল নির্মাণের সম্ভাবনার কথা জানালেন ছবিটির পরিচালক কবীর খান।

সম্প্রতি ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কবীর খান বলেন, তিনি সবসময় তার পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। সালমান খানের সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং দুজন মিলে বিভিন্ন গল্প নিয়ে আলোচনা করেন। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’-এর সম্ভাব্য গল্পও।

তবে কবীর খান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার সুবিধা নিতে বা ঘোষণার জন্য সিক্যুয়াল তৈরি করতে চান না। তার ভাষায়, ”আমরা প্রথম ছবির জনপ্রিয়তাকে ভাঙিয়ে কিছু করতে চাই না। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তবেই দ্বিতীয় পর্ব নির্মাণ করব। তাই সঠিক গল্প পাওয়াটাই এখন মুখ্য।”

পরিচালক আরও বলেন, তার পুরো পরিচালনা ক্যারিয়ারে তিনি কখনও কোনো সিনেমার সিক্যুয়াল বানাননি। কিন্তু ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’ নিয়ে তিনি উৎসাহী। তিনি এটিকে কেবল বক্স অফিস সাফল্যের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং মূল ছবির উত্তরাধিকার ধরে রাখার চেষ্টার অংশ হিসেবেই বিবেচনা করছেন।

এছাড়া সালমান খানের ফের থাকাটাও সম্ভব বলে জানিয়েছেন কবীর খান। তবে তিনি মনে করেন, সিনেমার গল্পই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নায়ককে সামনে রেখে নয়, বরং শক্তিশালী গল্প দিয়েই সিনেমা তৈরি হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমায় এক বোবা পাকিস্তানি শিশুকে তার দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার মানবিক গল্প দেখানো হয়, যেখানে সালমান খান অভিনয় করেন এক উদার হৃদয়ের ভারতীয় তরুণের চরিত্রে। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায় এবং দুই দেশের মানুষের মাঝে ভালোবাসা ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।