ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

নিয়ামতপুরে ছাত্রদল নেতা অনিক মাহমুদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

গত ১৬ তারিখে দিবাগত রাতে ইসলামিক ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মাঝ রাস্তায় কিছু নামধারী ক্যাডার বাহিনী আওয়ামী লীগ দলের সন্ত্রাসীরা তাকে হামলা করেন।

এ বিষয়ে অনিক মাহমুদ বলেন,আমি ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে কয়েকজন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসবাহিনী আমার রাস্তা ঘেরাও করে আমাকে কিছু বোঝার আগেই তারা রট ডান্ডা হাঁতুর এবং লাঠি দিয়ে বেধড়ক মার শুরু করেন। সে সময় ঘটনাস্থলে চিৎকার করলে তারা আমার মুখে কস্টেপ মেরে দেন। এবং আমার সাথে থাকা নগদ লক্ষাদিক টাকা ও একটি মোটরসাইকেল মুঠো ফোন সহ ছিনিয়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগ ক্যাডার বাহিনী সন্ত্রাসীরা।
এক পর্যায়ে পিপাসায় কাতার হয়ে আমি অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা ধরে নাই আমি মারা গিয়েছি। এমনটা ধারণা করেছিল আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী বাহিনীরা পরে তারা আমার গ্রামে রাস্তার সাইডে একটি বাড়ির পাশে ময়লাজনিত ঝোপঝারের মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায়।

হঠাৎ করে আমার জ্ঞান ফিরে আসায় আমি চিৎকার করলে আমার গ্রামবাসী আমার চিৎকার শুনে তারা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ামতপুর সরকারি মেডিকেলে নিয়ে আসেন সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তাররা আমাকে রাজশাহী সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে এখন আমি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অর্থপেডিক্স কেবিনের ভেতর ছয় নাম্বার বেডে ভর্তি আছি।

তবে মামলার বাদী, অনিকের বাবা আব্দুর ছাত্রার আলী বলেন, আমার ছেলেকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কেডার বাহিনী হামলা করার পরে আমি নিয়ামতপুর থানাতে মামলা করার পরও কোন আসামিকে গ্রেফতার করেনি নিয়ামতপুর থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মোঃ মিজানুর রহমানের কাছে ঘটনা সত্যতা মুঠো ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি বলেন। আসামিরা পলাতক ছিল, মামলা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসামিদের গ্রেফতার করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত চালিয়েছি।

আবার নিয়ামতপুর থানার কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ ওসি হাবিবুর রহমানের কাছে নিউজ ২১ এর সাংবাদিক নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি মোঃ মাসুদ রানা জানতে চাইলে তিনি বলেন। অনিকের বাবা সাত্তার আলী থানাতে এসে একটা মামলা করেছেন। আমরা আসামিদেরকে ধরার আগেই বিজ্ঞ আদালতে মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। তাই আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিয়ামতপুরে ছাত্রদল নেতা অনিক মাহমুদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

গত ১৬ তারিখে দিবাগত রাতে ইসলামিক ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মাঝ রাস্তায় কিছু নামধারী ক্যাডার বাহিনী আওয়ামী লীগ দলের সন্ত্রাসীরা তাকে হামলা করেন।

এ বিষয়ে অনিক মাহমুদ বলেন,আমি ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে কয়েকজন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসবাহিনী আমার রাস্তা ঘেরাও করে আমাকে কিছু বোঝার আগেই তারা রট ডান্ডা হাঁতুর এবং লাঠি দিয়ে বেধড়ক মার শুরু করেন। সে সময় ঘটনাস্থলে চিৎকার করলে তারা আমার মুখে কস্টেপ মেরে দেন। এবং আমার সাথে থাকা নগদ লক্ষাদিক টাকা ও একটি মোটরসাইকেল মুঠো ফোন সহ ছিনিয়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগ ক্যাডার বাহিনী সন্ত্রাসীরা।
এক পর্যায়ে পিপাসায় কাতার হয়ে আমি অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা ধরে নাই আমি মারা গিয়েছি। এমনটা ধারণা করেছিল আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী বাহিনীরা পরে তারা আমার গ্রামে রাস্তার সাইডে একটি বাড়ির পাশে ময়লাজনিত ঝোপঝারের মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায়।

হঠাৎ করে আমার জ্ঞান ফিরে আসায় আমি চিৎকার করলে আমার গ্রামবাসী আমার চিৎকার শুনে তারা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ামতপুর সরকারি মেডিকেলে নিয়ে আসেন সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তাররা আমাকে রাজশাহী সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে এখন আমি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অর্থপেডিক্স কেবিনের ভেতর ছয় নাম্বার বেডে ভর্তি আছি।

তবে মামলার বাদী, অনিকের বাবা আব্দুর ছাত্রার আলী বলেন, আমার ছেলেকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কেডার বাহিনী হামলা করার পরে আমি নিয়ামতপুর থানাতে মামলা করার পরও কোন আসামিকে গ্রেফতার করেনি নিয়ামতপুর থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মোঃ মিজানুর রহমানের কাছে ঘটনা সত্যতা মুঠো ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি বলেন। আসামিরা পলাতক ছিল, মামলা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসামিদের গ্রেফতার করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত চালিয়েছি।

আবার নিয়ামতপুর থানার কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ ওসি হাবিবুর রহমানের কাছে নিউজ ২১ এর সাংবাদিক নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি মোঃ মাসুদ রানা জানতে চাইলে তিনি বলেন। অনিকের বাবা সাত্তার আলী থানাতে এসে একটা মামলা করেছেন। আমরা আসামিদেরকে ধরার আগেই বিজ্ঞ আদালতে মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। তাই আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।