ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিন পুলিশ সদস্য আটক

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিনজন পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল ১০ টার সময় নওগাঁ কে.ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরাতন হোস্টেল এর সামনে পুলিশের ইনফর্ম পরিহিত কনেষ্টেবল সুজন হোসেন, আলি আলম ও কার্তিক নামে এক পুলিশ সদস্য’কে গাঁজা সেবনের সময় স্কুলের শিক্ষার্থীরা গাঁজা সহ তাদের আটক করে। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কনেষ্টেবল সুজন ও আলম তাদের সাথে থাকা পিস্তল হাতে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জাহিদ ফেরদৌস এসে পরিবেশ শান্ত করে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কে. ডি উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রায় দিনিই তারা তিন জন পুলিশ সদস্য’রা এসে মাঠের পার্শে পুরাতন ছাত্রাবাসে সামনে এসে নেষা করেন আমরা মাঠে খেলার জন্য আসলে আমাদের পিস্তল দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়াও আমাদের এক ভাইকে কয়েকদিন আগে থাপ্পড় মেরেছে সুজন নামে এক পুলিশ সদস্য। প্রতিদিনের মতো আজকেও তারা মাঠের পাশে এসে গাঁজা সেবন কালে আমরা তাদেরকে গাঁজা সহ আটক করি এ সময় আলম নামে এক পুলিশ সদস্য হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক জাহিদ পারভেজ বলেন, মাদক সেবন কালে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে গাঁজা সহকারে আটক করে। আমি নিজে গিয়ে উত্তপ্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে আমাদের অফিসে নিয়ে আসি, পরে থানায় ফোন করলে ডিবি পুলিশ এসে তাদেরকে নিয়ে যায়।

এই বিষয়ে নওগাঁ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গাঁজা সেবনের অভিযোগ থাকায় তাদেরকে সদর হাসপাতালে ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূর আলম বলেন, তারা মাদকাসক্ত কি-না ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে, তারা মাদকাসক্ত প্রমানিত হয় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সুবির মুঠোফোনে বলেন, তিনজনকে ডোপটেস্টের জন্য আনা হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে আগামীকাল সকালে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া আমাদের তত্ত্বাবধায়ক স্যারের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। চারটার পর আসার কারণে তাদের টেস্ট করানো হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিন পুলিশ সদস্য আটক

আপডেট সময় : ০৯:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিনজন পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল ১০ টার সময় নওগাঁ কে.ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরাতন হোস্টেল এর সামনে পুলিশের ইনফর্ম পরিহিত কনেষ্টেবল সুজন হোসেন, আলি আলম ও কার্তিক নামে এক পুলিশ সদস্য’কে গাঁজা সেবনের সময় স্কুলের শিক্ষার্থীরা গাঁজা সহ তাদের আটক করে। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কনেষ্টেবল সুজন ও আলম তাদের সাথে থাকা পিস্তল হাতে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জাহিদ ফেরদৌস এসে পরিবেশ শান্ত করে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কে. ডি উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রায় দিনিই তারা তিন জন পুলিশ সদস্য’রা এসে মাঠের পার্শে পুরাতন ছাত্রাবাসে সামনে এসে নেষা করেন আমরা মাঠে খেলার জন্য আসলে আমাদের পিস্তল দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়াও আমাদের এক ভাইকে কয়েকদিন আগে থাপ্পড় মেরেছে সুজন নামে এক পুলিশ সদস্য। প্রতিদিনের মতো আজকেও তারা মাঠের পাশে এসে গাঁজা সেবন কালে আমরা তাদেরকে গাঁজা সহ আটক করি এ সময় আলম নামে এক পুলিশ সদস্য হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক জাহিদ পারভেজ বলেন, মাদক সেবন কালে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে গাঁজা সহকারে আটক করে। আমি নিজে গিয়ে উত্তপ্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে আমাদের অফিসে নিয়ে আসি, পরে থানায় ফোন করলে ডিবি পুলিশ এসে তাদেরকে নিয়ে যায়।

এই বিষয়ে নওগাঁ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গাঁজা সেবনের অভিযোগ থাকায় তাদেরকে সদর হাসপাতালে ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূর আলম বলেন, তারা মাদকাসক্ত কি-না ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে, তারা মাদকাসক্ত প্রমানিত হয় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সুবির মুঠোফোনে বলেন, তিনজনকে ডোপটেস্টের জন্য আনা হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে আগামীকাল সকালে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া আমাদের তত্ত্বাবধায়ক স্যারের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। চারটার পর আসার কারণে তাদের টেস্ট করানো হয়নি।