ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অদ্য ২৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে অথরাইজড অফিসার জোন- ৭ এর দপ্তরে দুইটি গবেষণা পত্র এর সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করা হয় ভূমিকম্প ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে রাজউক । সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিন পুলিশ সদস্য আটক

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিনজন পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল ১০ টার সময় নওগাঁ কে.ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরাতন হোস্টেল এর সামনে পুলিশের ইনফর্ম পরিহিত কনেষ্টেবল সুজন হোসেন, আলি আলম ও কার্তিক নামে এক পুলিশ সদস্য’কে গাঁজা সেবনের সময় স্কুলের শিক্ষার্থীরা গাঁজা সহ তাদের আটক করে। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কনেষ্টেবল সুজন ও আলম তাদের সাথে থাকা পিস্তল হাতে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জাহিদ ফেরদৌস এসে পরিবেশ শান্ত করে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কে. ডি উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রায় দিনিই তারা তিন জন পুলিশ সদস্য’রা এসে মাঠের পার্শে পুরাতন ছাত্রাবাসে সামনে এসে নেষা করেন আমরা মাঠে খেলার জন্য আসলে আমাদের পিস্তল দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়াও আমাদের এক ভাইকে কয়েকদিন আগে থাপ্পড় মেরেছে সুজন নামে এক পুলিশ সদস্য। প্রতিদিনের মতো আজকেও তারা মাঠের পাশে এসে গাঁজা সেবন কালে আমরা তাদেরকে গাঁজা সহ আটক করি এ সময় আলম নামে এক পুলিশ সদস্য হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক জাহিদ পারভেজ বলেন, মাদক সেবন কালে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে গাঁজা সহকারে আটক করে। আমি নিজে গিয়ে উত্তপ্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে আমাদের অফিসে নিয়ে আসি, পরে থানায় ফোন করলে ডিবি পুলিশ এসে তাদেরকে নিয়ে যায়।

এই বিষয়ে নওগাঁ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গাঁজা সেবনের অভিযোগ থাকায় তাদেরকে সদর হাসপাতালে ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূর আলম বলেন, তারা মাদকাসক্ত কি-না ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে, তারা মাদকাসক্ত প্রমানিত হয় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সুবির মুঠোফোনে বলেন, তিনজনকে ডোপটেস্টের জন্য আনা হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে আগামীকাল সকালে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া আমাদের তত্ত্বাবধায়ক স্যারের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। চারটার পর আসার কারণে তাদের টেস্ট করানো হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

অদ্য ২৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে অথরাইজড অফিসার জোন- ৭ এর দপ্তরে দুইটি গবেষণা পত্র এর সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করা হয়

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিন পুলিশ সদস্য আটক

আপডেট সময় : ০৯:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

নওগাঁয় গাঁজা সেবনের সময় তিনজন পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল ১০ টার সময় নওগাঁ কে.ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরাতন হোস্টেল এর সামনে পুলিশের ইনফর্ম পরিহিত কনেষ্টেবল সুজন হোসেন, আলি আলম ও কার্তিক নামে এক পুলিশ সদস্য’কে গাঁজা সেবনের সময় স্কুলের শিক্ষার্থীরা গাঁজা সহ তাদের আটক করে। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কনেষ্টেবল সুজন ও আলম তাদের সাথে থাকা পিস্তল হাতে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জাহিদ ফেরদৌস এসে পরিবেশ শান্ত করে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কে. ডি উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রায় দিনিই তারা তিন জন পুলিশ সদস্য’রা এসে মাঠের পার্শে পুরাতন ছাত্রাবাসে সামনে এসে নেষা করেন আমরা মাঠে খেলার জন্য আসলে আমাদের পিস্তল দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়াও আমাদের এক ভাইকে কয়েকদিন আগে থাপ্পড় মেরেছে সুজন নামে এক পুলিশ সদস্য। প্রতিদিনের মতো আজকেও তারা মাঠের পাশে এসে গাঁজা সেবন কালে আমরা তাদেরকে গাঁজা সহ আটক করি এ সময় আলম নামে এক পুলিশ সদস্য হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক জাহিদ পারভেজ বলেন, মাদক সেবন কালে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে গাঁজা সহকারে আটক করে। আমি নিজে গিয়ে উত্তপ্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে আমাদের অফিসে নিয়ে আসি, পরে থানায় ফোন করলে ডিবি পুলিশ এসে তাদেরকে নিয়ে যায়।

এই বিষয়ে নওগাঁ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গাঁজা সেবনের অভিযোগ থাকায় তাদেরকে সদর হাসপাতালে ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূর আলম বলেন, তারা মাদকাসক্ত কি-না ডোপ টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে, তারা মাদকাসক্ত প্রমানিত হয় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সুবির মুঠোফোনে বলেন, তিনজনকে ডোপটেস্টের জন্য আনা হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে আগামীকাল সকালে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া আমাদের তত্ত্বাবধায়ক স্যারের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। চারটার পর আসার কারণে তাদের টেস্ট করানো হয়নি।