ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু

লালমনিরহাটে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক পালিত

বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন যে ভাবে ঘটছে, তাতে শেষের দিন আগতপ্রায়। আর তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে ‘বিশ্ব জলবায়ু বাঁচাও আন্দোলনে’ গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইকের সামিল হয়ে লালমনিরহাট জেলা যুব ফোরাম এর আয়োজনে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক পালিত হয়।

ভিএসও বাংলাদেশ,স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন, তারুণ্যের আলো যুব কল্যাণ সংস্থা,সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগাড়, ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠন,ভিশন অফ লালমনিরহাট,চেঞ্জ মেকার্স ফর রাইট এন্ড ডেভেলপমেন্ট,হাসিমূখ সমাজ কল্যাণ পরিষদ,ভল্টিয়ারি ইয়ুথ ফোরাম ও ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার,সবুজসেবা ফাউন্ডেশন, স্বাধীন বাংলা যুব পাঠাগার লালমনিরহাট এর সহযোগিতায় আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায়  জেলা শহরের মিশন মোড়ে অনুষ্ঠিত ক্লাইমেট স্ট্রাইকে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন টেলিভিশন এ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ লিটন বিভাগীয় যুব ফোরাম সভাপতি মোঃ জামাল হোসেন প্রমূখ।

জেলা যুব ফোরাম সভাপতি শহিদ ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুব ফোরাম সভাপতি খাইরুল কবির,ভিশন অফ লালমনিরহাট জেলার সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম,ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাকিল ইসলাম,স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি নাইম ইসলাম,সবুজসেবা ফাউন্ডেশনের সভাপতি হাসিমূখ সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমূখ।
সঞ্চালন করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি স্বাধীন বাংলা যুব পাঠাগার মিনহাজুল ইসলাম বাপ্পি।

স্ট্রাইকে বর্তমান সরকারের কাছে জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধ করা এবং জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে এলএনজি আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমানোর দাবি জানান। পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা বজায় রাখার দাবিও জানানো হয়।বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে এখনই উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙন এবং মাটিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমুদ্রের উচ্চতা এক মিটার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের ২০ শতাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং ২০৫০ সালের মাধ্যে ২ কোটিরও বেশি মানুষ জলবায়ু উদ্ধাত্ত হবে। ওই সময়ে বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জলবায়ু শরণার্থীরা অন্য জেলায় গিয়ে আশ্রয় নেবে। এতে শহরগুলো বসবাসের উপযোগিতা হারাবে। আজ বাংলাদেশ এবং বিশ্বের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন হুমকিতে ফেলছে জলবায়ু পরিবর্তন। আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলের বসবাসরতরা নিয়মিত ভুগছেন। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা নদী ভাঙনে তারা সহায়সম্বল হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়ে পড়ছেন।

আপনারা জানেন প্রতিবেশী রাষ্ট্র যখন  পানি ছেড়ে দেয় তখন  আমাদের পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা ব্যারেজের  গেট খুলে দিয়েছে, ফলে তিস্তা পাড়ের জনপদ প্লাবিত হয়েছে। তিস্তা পাড়ের জনগণের সহায়সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। সরকারকে বলব সময় এসেছে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করার অথবা সরকারের যে তিস্তাকে ঘিরে মহাপরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবী।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ

লালমনিরহাটে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক পালিত

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন যে ভাবে ঘটছে, তাতে শেষের দিন আগতপ্রায়। আর তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে ‘বিশ্ব জলবায়ু বাঁচাও আন্দোলনে’ গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইকের সামিল হয়ে লালমনিরহাট জেলা যুব ফোরাম এর আয়োজনে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক পালিত হয়।

ভিএসও বাংলাদেশ,স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন, তারুণ্যের আলো যুব কল্যাণ সংস্থা,সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগাড়, ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠন,ভিশন অফ লালমনিরহাট,চেঞ্জ মেকার্স ফর রাইট এন্ড ডেভেলপমেন্ট,হাসিমূখ সমাজ কল্যাণ পরিষদ,ভল্টিয়ারি ইয়ুথ ফোরাম ও ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার,সবুজসেবা ফাউন্ডেশন, স্বাধীন বাংলা যুব পাঠাগার লালমনিরহাট এর সহযোগিতায় আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায়  জেলা শহরের মিশন মোড়ে অনুষ্ঠিত ক্লাইমেট স্ট্রাইকে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন টেলিভিশন এ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ লিটন বিভাগীয় যুব ফোরাম সভাপতি মোঃ জামাল হোসেন প্রমূখ।

জেলা যুব ফোরাম সভাপতি শহিদ ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুব ফোরাম সভাপতি খাইরুল কবির,ভিশন অফ লালমনিরহাট জেলার সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম,ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাকিল ইসলাম,স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি নাইম ইসলাম,সবুজসেবা ফাউন্ডেশনের সভাপতি হাসিমূখ সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমূখ।
সঞ্চালন করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি স্বাধীন বাংলা যুব পাঠাগার মিনহাজুল ইসলাম বাপ্পি।

স্ট্রাইকে বর্তমান সরকারের কাছে জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধ করা এবং জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে এলএনজি আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমানোর দাবি জানান। পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা বজায় রাখার দাবিও জানানো হয়।বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে এখনই উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙন এবং মাটিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমুদ্রের উচ্চতা এক মিটার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের ২০ শতাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং ২০৫০ সালের মাধ্যে ২ কোটিরও বেশি মানুষ জলবায়ু উদ্ধাত্ত হবে। ওই সময়ে বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জলবায়ু শরণার্থীরা অন্য জেলায় গিয়ে আশ্রয় নেবে। এতে শহরগুলো বসবাসের উপযোগিতা হারাবে। আজ বাংলাদেশ এবং বিশ্বের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন হুমকিতে ফেলছে জলবায়ু পরিবর্তন। আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলের বসবাসরতরা নিয়মিত ভুগছেন। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা নদী ভাঙনে তারা সহায়সম্বল হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়ে পড়ছেন।

আপনারা জানেন প্রতিবেশী রাষ্ট্র যখন  পানি ছেড়ে দেয় তখন  আমাদের পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা ব্যারেজের  গেট খুলে দিয়েছে, ফলে তিস্তা পাড়ের জনপদ প্লাবিত হয়েছে। তিস্তা পাড়ের জনগণের সহায়সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। সরকারকে বলব সময় এসেছে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করার অথবা সরকারের যে তিস্তাকে ঘিরে মহাপরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবী।