ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

ভাঙ্গায় টিকটকার এক তরুণীর জোর পূর্বক নগ্ন ভিডিও ধারন; আটক-৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় শুক্রবার দিবাগত রাতে টিকটকার এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ দল জোরপূর্বক নগ্ন ভিডিও ধারণ ও পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা গ্রামে। আটককৃতদের মোবাইলে ধারণকৃত নগ্ন ভিডিওর ফুটেজ জব্দ করেছে পুলিশ। থানায় অভিযোগকারী ভুক্তভোগী তরুণীকেও থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি ) সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকছেদুর রহমান। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলার প্রক্রিয়াধীন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা গ্রামের আকরাম খাঁন নামের এক টিকটকার ঐ ভুক্তভোগী তরুণীকে (২০) একটি নতুন টিকটক ভিডিও তৈরির প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে ঐ ভুক্তভোগী তরুণীকে বোয়ালমারী উপজেলা থেকে ভাঙ্গায় নিয়ে আসে সে। ঘটনায় আকরামের সহযোগী ছিলো মধুখালী উপজেলার জুয়েল মোল্লাসহ অজ্ঞাত আরও এক যুবক। বাবলাতলা গ্রামের নির্জন এক বাড়িতে আটকে রেখে ওই তরুণীকে প্রথম দফায় ধর্ষণ করে আকরাম হোসেন। এরপর সেখান থেকে ওই তরুণীকে আকরাম ও তার সহযোগী দুই যুবক শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বাবলাতলা বাজার সংলগ্ন একটি বিউটি পার্লারে ঐ তরুণীকে নিয়ে ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে চুমুরদী ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বার আনারুদ্দিন মোল্লার ছেলে ছাইদুল মোল্লাসহ তাদের ৫/৬ জন তরুণীকে আটকে রাখে। শুক্রবার গভীর রাতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ইউপি সদস্যের ছেলে ছাইদুল মোল্লা ও তার সহযোগী ৫-৬ জন যুবক ঐ তরুণী ও আকরামকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে বিভিন্ন অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরক্ষনেই ঐ তরুণীর অশ্লীল ভিডিও দিয়ে আকরাম ও ঐ তরুণীর কাছে চাঁদা দাবি করেন ইউপি সদস্যের ছেলে ও তার সহযোগীরা। চক্রটির হাত থেকে রক্ষা পেতে কিছু টাকাও দেয় তরুণী ও আকরাম। ছাড়া পেয়ে ঐ তরুণী ও আকরাম পৌর সদরের কিছু লোকের সহায়তায় রাতেই ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে রাতেই ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

ভাঙ্গায় টিকটকার এক তরুণীর জোর পূর্বক নগ্ন ভিডিও ধারন; আটক-৬

আপডেট সময় : ০২:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় শুক্রবার দিবাগত রাতে টিকটকার এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ দল জোরপূর্বক নগ্ন ভিডিও ধারণ ও পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা গ্রামে। আটককৃতদের মোবাইলে ধারণকৃত নগ্ন ভিডিওর ফুটেজ জব্দ করেছে পুলিশ। থানায় অভিযোগকারী ভুক্তভোগী তরুণীকেও থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি ) সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকছেদুর রহমান। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলার প্রক্রিয়াধীন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা গ্রামের আকরাম খাঁন নামের এক টিকটকার ঐ ভুক্তভোগী তরুণীকে (২০) একটি নতুন টিকটক ভিডিও তৈরির প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে ঐ ভুক্তভোগী তরুণীকে বোয়ালমারী উপজেলা থেকে ভাঙ্গায় নিয়ে আসে সে। ঘটনায় আকরামের সহযোগী ছিলো মধুখালী উপজেলার জুয়েল মোল্লাসহ অজ্ঞাত আরও এক যুবক। বাবলাতলা গ্রামের নির্জন এক বাড়িতে আটকে রেখে ওই তরুণীকে প্রথম দফায় ধর্ষণ করে আকরাম হোসেন। এরপর সেখান থেকে ওই তরুণীকে আকরাম ও তার সহযোগী দুই যুবক শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বাবলাতলা বাজার সংলগ্ন একটি বিউটি পার্লারে ঐ তরুণীকে নিয়ে ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে চুমুরদী ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বার আনারুদ্দিন মোল্লার ছেলে ছাইদুল মোল্লাসহ তাদের ৫/৬ জন তরুণীকে আটকে রাখে। শুক্রবার গভীর রাতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ইউপি সদস্যের ছেলে ছাইদুল মোল্লা ও তার সহযোগী ৫-৬ জন যুবক ঐ তরুণী ও আকরামকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে বিভিন্ন অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরক্ষনেই ঐ তরুণীর অশ্লীল ভিডিও দিয়ে আকরাম ও ঐ তরুণীর কাছে চাঁদা দাবি করেন ইউপি সদস্যের ছেলে ও তার সহযোগীরা। চক্রটির হাত থেকে রক্ষা পেতে কিছু টাকাও দেয় তরুণী ও আকরাম। ছাড়া পেয়ে ঐ তরুণী ও আকরাম পৌর সদরের কিছু লোকের সহায়তায় রাতেই ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে রাতেই ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করে।