ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

রাণী বিলাশমণি সরকারী মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকের অভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া

শিক্ষকের অভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গাজীপুরের জয়দেবপুরের রাণীবিলাশ মণি মাধ্যমিক স্কুল (বয়েজ ও গার্লস) এর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। অভিভাবকদের অভিযোগ স্কুল কর্তৃপক্ষকে বারবার বলার পরও কাটছেনা শিক্ষক স্বল্পতা।

স্কুলের বালিকা শাখার এক শিক্ষার্থী জানান , প্রভাতী শাখায় নেই কৃষি শিক্ষার কোন শিক্ষক তবে দুপুরের শাখায় আছেন দু’জন। এ অবস্থায় সকালের শিক্ষার্থীরা আছে বিপাকে। প্রাইভেট টিউশন ও মেলে না এই সাবজেক্টের, তাই ঘরে বসে যতটুকু বুঝি সেটুকু দিয়েই কোন রকম পাশ করেছি।

একই অভিযোগ সামাজিক বিজ্ঞান নিয়ে। স্কুলটির দিবা শাখার বিদ্যার্থীদের অভিযোগ দিবা শাখায় নেই কোন সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষক। যেখানে প্রভাতী শাখায় রয়েছেন তিনজন শিক্ষক।

তারা অভিযোগ করেন শিক্ষকদের সময় সমন্বয় করলেই কেটে যায় এই জটিলতা। তবে বারবার স্কুল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের পরও মেলেনি কোন সুরাহা।

স্কুলটির বয়েজ শাখায় রয়েছে শিক্ষক স্বল্পতার অভিযোগ। এই শাখার শিক্ষার্থীরা ভুগছেন পিটি বা শারিরীক কসরৎ শিক্ষকের সংকটে। অন্যান্য স্কুলের মতো এই স্কুলে নেই কোন পিটির ব্যবস্থা। যাতে করে ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পড়ছে বিরুপ প্রভাব।

জয়দেবপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক চন্দ্র শিকদার জানান, শিক্ষক সংকট সমস্যাটি স্থায়ী নয়। সম্প্রতি একসাথে চারজনের প্রমোশন ও অবসরে যাওয়া ও বদলির কারনে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে দ্রুতই তা পূরণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এবিষয়ে স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য জানান, স্কুলটিতে বর্তমানে বালিকা বিদ্যালয় দিবা শাখায় ২৪ জন আর প্রভাতী শাখায় আছেন ২৫ জন আর মোট শিক্ষক ৫২ জন। আর শিক্ষার্থী ১৮০০ জনেরও বেশি।

বাংলাদেশ সরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক পরিষদের সদস্য আসাদুজ্জামান নূর জানান, সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রতি ৪০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক থাকার কথা একজন। ৪০ জনে ১ জন। অথচ বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে এই অনুপাত মানা হচ্ছে না। কোন কোন স্কুলে ১ জন শিক্ষকের বিপরীতে ৭০ থেকে ৮০জন বিদ্যার্থীও থাকে। এই কারনে সব শিক্ষার্থীর দিকে সমান হারে শিক্ষকদের নজর দেয়াও সম্ভব হয় না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

রাণী বিলাশমণি সরকারী মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকের অভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া

আপডেট সময় : ১২:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

শিক্ষকের অভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গাজীপুরের জয়দেবপুরের রাণীবিলাশ মণি মাধ্যমিক স্কুল (বয়েজ ও গার্লস) এর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। অভিভাবকদের অভিযোগ স্কুল কর্তৃপক্ষকে বারবার বলার পরও কাটছেনা শিক্ষক স্বল্পতা।

স্কুলের বালিকা শাখার এক শিক্ষার্থী জানান , প্রভাতী শাখায় নেই কৃষি শিক্ষার কোন শিক্ষক তবে দুপুরের শাখায় আছেন দু’জন। এ অবস্থায় সকালের শিক্ষার্থীরা আছে বিপাকে। প্রাইভেট টিউশন ও মেলে না এই সাবজেক্টের, তাই ঘরে বসে যতটুকু বুঝি সেটুকু দিয়েই কোন রকম পাশ করেছি।

একই অভিযোগ সামাজিক বিজ্ঞান নিয়ে। স্কুলটির দিবা শাখার বিদ্যার্থীদের অভিযোগ দিবা শাখায় নেই কোন সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষক। যেখানে প্রভাতী শাখায় রয়েছেন তিনজন শিক্ষক।

তারা অভিযোগ করেন শিক্ষকদের সময় সমন্বয় করলেই কেটে যায় এই জটিলতা। তবে বারবার স্কুল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের পরও মেলেনি কোন সুরাহা।

স্কুলটির বয়েজ শাখায় রয়েছে শিক্ষক স্বল্পতার অভিযোগ। এই শাখার শিক্ষার্থীরা ভুগছেন পিটি বা শারিরীক কসরৎ শিক্ষকের সংকটে। অন্যান্য স্কুলের মতো এই স্কুলে নেই কোন পিটির ব্যবস্থা। যাতে করে ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পড়ছে বিরুপ প্রভাব।

জয়দেবপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক চন্দ্র শিকদার জানান, শিক্ষক সংকট সমস্যাটি স্থায়ী নয়। সম্প্রতি একসাথে চারজনের প্রমোশন ও অবসরে যাওয়া ও বদলির কারনে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে দ্রুতই তা পূরণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এবিষয়ে স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য জানান, স্কুলটিতে বর্তমানে বালিকা বিদ্যালয় দিবা শাখায় ২৪ জন আর প্রভাতী শাখায় আছেন ২৫ জন আর মোট শিক্ষক ৫২ জন। আর শিক্ষার্থী ১৮০০ জনেরও বেশি।

বাংলাদেশ সরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক পরিষদের সদস্য আসাদুজ্জামান নূর জানান, সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রতি ৪০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক থাকার কথা একজন। ৪০ জনে ১ জন। অথচ বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে এই অনুপাত মানা হচ্ছে না। কোন কোন স্কুলে ১ জন শিক্ষকের বিপরীতে ৭০ থেকে ৮০জন বিদ্যার্থীও থাকে। এই কারনে সব শিক্ষার্থীর দিকে সমান হারে শিক্ষকদের নজর দেয়াও সম্ভব হয় না।