ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

যশোরের কেশবপুর মডার্ণ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের ন্যায়বিচার দাবি কেশবপুর বমডার্ণ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে নায্য বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগি পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফিরোজা বেগম। লিখিত বক্তব্য মোতাবেক জানা গেছে , গত ২২ শে নভেম্বর মণিরামপুর উপজেলার ঝাপা গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজা বেগমের মেয়ে জলি গর্ভবতী অবস্থায় পেটে যন্ত্রণা অনুভব করলে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর রহমানের পরামর্শে কেশবপুর মডার্ণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানকার চিকিৎসক আবু বক্কার সিদ্দিকী জরুরি ভিত্তিতে সিজার অপারেশনের পর নবজাতক পুত্র সন্তানের মৃত্যু হয়। কিন্তু এরপরও অবস্থা অবনতির দিকে চলে গেলে ক্লিনিক মালিক রবিউল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা যথাযথ চিকিৎসা দেননি।
অপারেশনের পর মায়ের শরীরের অবস্থা খারাপ হলে, তাদের ধারণা ছিল যে তার জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। যা পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়। পরীক্ষা নিরিক্ষার রিপোর্টে জানা যায়, মায়ের জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে এখন তিনি সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারিয়েছেন।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কেশবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা খান শরীফুল ইসলাম অভিযোগকারীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্লিনিক মালিক রবিউল ইসলাম ও চিকিৎসক আবু বক্কার সিদ্দিকী এবং পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগকারী পরিবার সাংবাদিকদের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার দাবি করেছেন।

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তাদের জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায়, ফিরোজা বেগম ও তার পরিবার এখন আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। যাতে আর কোনো পরিবার এই ধরনের ঘটনার শিকার না হয়।

অভিযোগকারীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এবং পুলিশ তদন্তে রয়েছেন।

এখন জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে ফিরোজা বেগম এবং তার পরিবার তাদের কষ্টের কথা তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজা বেগম, তার স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে জলি আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

যশোরের কেশবপুর মডার্ণ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১২:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের ন্যায়বিচার দাবি কেশবপুর বমডার্ণ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে নায্য বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগি পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফিরোজা বেগম। লিখিত বক্তব্য মোতাবেক জানা গেছে , গত ২২ শে নভেম্বর মণিরামপুর উপজেলার ঝাপা গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজা বেগমের মেয়ে জলি গর্ভবতী অবস্থায় পেটে যন্ত্রণা অনুভব করলে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর রহমানের পরামর্শে কেশবপুর মডার্ণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানকার চিকিৎসক আবু বক্কার সিদ্দিকী জরুরি ভিত্তিতে সিজার অপারেশনের পর নবজাতক পুত্র সন্তানের মৃত্যু হয়। কিন্তু এরপরও অবস্থা অবনতির দিকে চলে গেলে ক্লিনিক মালিক রবিউল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা যথাযথ চিকিৎসা দেননি।
অপারেশনের পর মায়ের শরীরের অবস্থা খারাপ হলে, তাদের ধারণা ছিল যে তার জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। যা পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়। পরীক্ষা নিরিক্ষার রিপোর্টে জানা যায়, মায়ের জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে এখন তিনি সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারিয়েছেন।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কেশবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা খান শরীফুল ইসলাম অভিযোগকারীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্লিনিক মালিক রবিউল ইসলাম ও চিকিৎসক আবু বক্কার সিদ্দিকী এবং পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগকারী পরিবার সাংবাদিকদের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার দাবি করেছেন।

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তাদের জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায়, ফিরোজা বেগম ও তার পরিবার এখন আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। যাতে আর কোনো পরিবার এই ধরনের ঘটনার শিকার না হয়।

অভিযোগকারীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এবং পুলিশ তদন্তে রয়েছেন।

এখন জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে ফিরোজা বেগম এবং তার পরিবার তাদের কষ্টের কথা তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজা বেগম, তার স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে জলি আক্তার উপস্থিত ছিলেন।