ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাবিতে বজ্রপাতে দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আহত, ঢামেকে চিকিৎসাধীন কিং অব পপের জীবনের অজানা গল্প আইপিটিভিতে অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবার আর্থিক বিষয়ে নিজেকে দূরে রাখলেন পূজা চেরি ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারাই ছিলেন বন্দুকধারীর টার্গেট: সিবিএস সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত চূড়ান্ত ধাপে, জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল চট্টগ্রামে খননকাজে মাটি ধস, প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের বিজেপিকে হারাতে মাঠে সায়ন্তিকা, বরানগরে প্রচারে দেব-জিতের নায়িকা শনিবার ঢাকায় জামায়াতের বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে ট্রাম্প কেন হঠাৎ করেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টভাবে বাড়ালেন?

কিং অব পপের জীবনের অজানা গল্প

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

কিং অব পপের জীবনের অজানা গল্প

পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে মানুষের কৌতূহল কম নয়। তাই তো তাঁর জীবনের গল্প পর্দায় তুলে ধরেছেন হলিউড নির্মাতা অ্যান্টনি ফুকো। প্রয়াত এই পপতারকার জীবনের গল্প নিয়ে যখন ‘মাইকেল’ সিনেমার ঘোষণা হয়, তখন থেকেই সিনেমাটি নিয়ে যে ব্যাপক বিতর্ক হবে, সেটি ধরেই নেওয়া হয়েছিল। শুরুতেই প্রশ্ন উঠেছিল সিনেমাটি কি মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের পুরো সত্যটা তুলে ধরতে পারবে? প্রথম দিকে নির্মাতারা জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলো, বিশেষ করে জর্ডান চ্যান্ডলার-সংক্রান্ত ঘটনাগুলো দেখানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু পরে সেই পরিকল্পনা বদলে যায়।

হলিউডের একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের সমঝোতার একটি শর্ত ছিল যে জর্ডান চ্যান্ডলারকে কোনো চলচ্চিত্রে দেখানো যাবে না। ফলে নতুন করে চিত্রনাট্য লেখা হয়। বর্তমান সংস্করণে দেখানো হয়েছে জ্যাকসনের শৈশব, ‘দ্য জ্যাকসন ৫’-এর সঙ্গে তাঁর যাত্রা, বাবার কঠোর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি, একক শিল্পী হিসেবে সুপারস্টার হয়ে ওঠা এবং ১৯৮৮ সালের ‘ব্যাড’ ট্যুরের জাঁকজমকপূর্ণ কনসার্টের মাধ্যমে সমাপ্তি।

অর্থাৎ কোনো বিতর্কিত অংশই রাখা হয়নি। তারপরও সিনেমাটির টিজার ও ট্রেলার মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে। ট্রেলারে দেখা যায়, শূন্য থেকে বিশ্বজয়ের পথে মাইকেল জ্যাকসনের উত্থানের গল্প– সংগীত, নাচ আর তারকাখ্যাতির এক বর্ণিল যাত্রা। ট্রেলারের শুরুতেই শোনা যায় ‘তুমি আত্মবিশ্বাসী, তুমি শক্তিশালী, তুমি সুন্দর, তুমি সর্বকালের সেরা।’ এরপর ধাপে ধাপে ফুটে ওঠে এক সাধারণ পরিবারের ছেলের কিংবদন্তিতে পরিণত হওয়ার কাহিনি। পরিচিত গানের সুরের সঙ্গে দ্রুত কাটে বদলে বদলে দৃশ্য, মঞ্চ, আলো, দর্শকের উন্মাদনা আর তারকাখ্যাতির ঝলক।

NEWS21
NEWS21

মাইকেল সিনেমার গল্প শুরু হয় ছোট্ট এক শিশুকে দিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্যারি ইন্ডিয়ানার এক সাধারণ পরিবারে জন্ম তাঁর। বাবা জো জ্যাকসনের কঠোর শাসনে বড় হওয়া সেই শিশুটি খুব দ্রুত বুঝে যায়। মঞ্চই তাঁর নিয়তি। ‘দ্য জ্যাকসন ৫’ এর সঙ্গে গান গাইতে গাইতে সে হয়ে ওঠে দলের প্রাণ। তবে এই গল্প শুধু সাফল্যের নয়; এটি চাপ, প্রত্যাশা এবং হারিয়ে যাওয়া শৈশবের গল্পও।

সময়ের সঙ্গে সেই শিশুটি হয়ে ওঠে এক তরুণ শিল্পী। আর তখনই বিশ্ব দেখে এক বিস্ফোরণ। ‘থ্রিলার’। এই অ্যালবামে শুধু গান নয়, এটি ছিল এক সাংস্কৃতিক বিপ্লব। ‘বিলি জেন’ কিংবা ‘বিট ইট’ প্রতিটি গান যেন একেকটি দৃশ্য, একেকটি গল্প। চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে হঠাৎ এক পা এক পা করে পিছিয়ে যাওয়া। সেই মুনওয়াক। সেই মুহূর্তেই মাইকেল জ্যাকসন হয়ে ওঠেন এক মিথের নাম। কিন্তু যত আলো, ততই যেন গাঢ় হয় ছায়া। খ্যাতির চূড়ায় দাঁড়িয়ে মানুষটি ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেন নিজের ব্যক্তিগত জীবন। বিতর্ক, অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের তীব্র নজর। সব মিলিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন এক জটিল চরিত্র।

ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। বলা যায়, রক্তের সম্পর্ক যেন জাফরের অভিনয়ে এনে দিয়েছে স্বতঃস্ফূর্ততা। এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তাঁর। প্রযোজক গ্রাহাম কিং জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে অডিশন নেওয়ার পরও জাফারই এই চরিত্রের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মনে হয়েছে। জ্যাকসনের মা ক্যাথরিন জ্যাকসনও জাফরের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। একই সুরে কথা বলেছেন বোন লাটোয়া জ্যাকসন।  কিছু মুহূর্তে নাকি সত্যিকারের মাইকেলকেই দেখছেন বলে মনে হয়েছে। ছবিতে ছোটবেলার মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুলিয়ানো ক্রু ভালাদি। এ ছাড়াও সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের চরিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর বাবা জো জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলম্যান ডমিংগো। মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের চরিত্রে আছে নিয়া লংক। বোন লাটোয়া জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসিকা সুলা।

এ ছাড়া সংগীত জগতের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি, সংগীত নির্বাহী সুজান দে পাসে এবং ডায়ানা রসের চরিত্রও। এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে মাইকেলের ক্যারিয়ারের পেছনের মানুষদের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্মাতা জানিয়েছেন, মাইকেল শুধু একটি বায়োপিক নয়, এক অনুভব। এই সিনেমা কেবল ঘটনাপ্রবাহ সাজাবে না। এটি চেষ্টা করবে একটি অনুভূতি ধরতে। একজন মানুষ, যিনি পৃথিবীর কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছিলেন, কিন্তু নিজের ভেতরের শূন্যতাকে কখনও পূরণ করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত, সিনেমাটি মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।

মাইকেল জ্যাকসন কি শুধু একজন পপতারকা? নাকি তিনি ছিলেন এক অসমাপ্ত গল্প, যার প্রতিটি নোটে লুকিয়ে আছে আনন্দ, বেদনা আর একাকিত্ব? সম্ভবত এ কারণেই, আজকের ব্যস্ত পৃথিবীতেও আমরা বারবার ফিরে যাই মাইকেল জ্যাকসেনের সেই জাদুকরী জগতে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবিতে বজ্রপাতে দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আহত, ঢামেকে চিকিৎসাধীন

কিং অব পপের জীবনের অজানা গল্প

আপডেট সময় : ০৩:৩২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে মানুষের কৌতূহল কম নয়। তাই তো তাঁর জীবনের গল্প পর্দায় তুলে ধরেছেন হলিউড নির্মাতা অ্যান্টনি ফুকো। প্রয়াত এই পপতারকার জীবনের গল্প নিয়ে যখন ‘মাইকেল’ সিনেমার ঘোষণা হয়, তখন থেকেই সিনেমাটি নিয়ে যে ব্যাপক বিতর্ক হবে, সেটি ধরেই নেওয়া হয়েছিল। শুরুতেই প্রশ্ন উঠেছিল সিনেমাটি কি মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের পুরো সত্যটা তুলে ধরতে পারবে? প্রথম দিকে নির্মাতারা জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলো, বিশেষ করে জর্ডান চ্যান্ডলার-সংক্রান্ত ঘটনাগুলো দেখানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু পরে সেই পরিকল্পনা বদলে যায়।

হলিউডের একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের সমঝোতার একটি শর্ত ছিল যে জর্ডান চ্যান্ডলারকে কোনো চলচ্চিত্রে দেখানো যাবে না। ফলে নতুন করে চিত্রনাট্য লেখা হয়। বর্তমান সংস্করণে দেখানো হয়েছে জ্যাকসনের শৈশব, ‘দ্য জ্যাকসন ৫’-এর সঙ্গে তাঁর যাত্রা, বাবার কঠোর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি, একক শিল্পী হিসেবে সুপারস্টার হয়ে ওঠা এবং ১৯৮৮ সালের ‘ব্যাড’ ট্যুরের জাঁকজমকপূর্ণ কনসার্টের মাধ্যমে সমাপ্তি।

অর্থাৎ কোনো বিতর্কিত অংশই রাখা হয়নি। তারপরও সিনেমাটির টিজার ও ট্রেলার মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে। ট্রেলারে দেখা যায়, শূন্য থেকে বিশ্বজয়ের পথে মাইকেল জ্যাকসনের উত্থানের গল্প– সংগীত, নাচ আর তারকাখ্যাতির এক বর্ণিল যাত্রা। ট্রেলারের শুরুতেই শোনা যায় ‘তুমি আত্মবিশ্বাসী, তুমি শক্তিশালী, তুমি সুন্দর, তুমি সর্বকালের সেরা।’ এরপর ধাপে ধাপে ফুটে ওঠে এক সাধারণ পরিবারের ছেলের কিংবদন্তিতে পরিণত হওয়ার কাহিনি। পরিচিত গানের সুরের সঙ্গে দ্রুত কাটে বদলে বদলে দৃশ্য, মঞ্চ, আলো, দর্শকের উন্মাদনা আর তারকাখ্যাতির ঝলক।

NEWS21
NEWS21

মাইকেল সিনেমার গল্প শুরু হয় ছোট্ট এক শিশুকে দিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্যারি ইন্ডিয়ানার এক সাধারণ পরিবারে জন্ম তাঁর। বাবা জো জ্যাকসনের কঠোর শাসনে বড় হওয়া সেই শিশুটি খুব দ্রুত বুঝে যায়। মঞ্চই তাঁর নিয়তি। ‘দ্য জ্যাকসন ৫’ এর সঙ্গে গান গাইতে গাইতে সে হয়ে ওঠে দলের প্রাণ। তবে এই গল্প শুধু সাফল্যের নয়; এটি চাপ, প্রত্যাশা এবং হারিয়ে যাওয়া শৈশবের গল্পও।

সময়ের সঙ্গে সেই শিশুটি হয়ে ওঠে এক তরুণ শিল্পী। আর তখনই বিশ্ব দেখে এক বিস্ফোরণ। ‘থ্রিলার’। এই অ্যালবামে শুধু গান নয়, এটি ছিল এক সাংস্কৃতিক বিপ্লব। ‘বিলি জেন’ কিংবা ‘বিট ইট’ প্রতিটি গান যেন একেকটি দৃশ্য, একেকটি গল্প। চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে হঠাৎ এক পা এক পা করে পিছিয়ে যাওয়া। সেই মুনওয়াক। সেই মুহূর্তেই মাইকেল জ্যাকসন হয়ে ওঠেন এক মিথের নাম। কিন্তু যত আলো, ততই যেন গাঢ় হয় ছায়া। খ্যাতির চূড়ায় দাঁড়িয়ে মানুষটি ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেন নিজের ব্যক্তিগত জীবন। বিতর্ক, অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের তীব্র নজর। সব মিলিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন এক জটিল চরিত্র।

ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। বলা যায়, রক্তের সম্পর্ক যেন জাফরের অভিনয়ে এনে দিয়েছে স্বতঃস্ফূর্ততা। এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তাঁর। প্রযোজক গ্রাহাম কিং জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে অডিশন নেওয়ার পরও জাফারই এই চরিত্রের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মনে হয়েছে। জ্যাকসনের মা ক্যাথরিন জ্যাকসনও জাফরের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। একই সুরে কথা বলেছেন বোন লাটোয়া জ্যাকসন।  কিছু মুহূর্তে নাকি সত্যিকারের মাইকেলকেই দেখছেন বলে মনে হয়েছে। ছবিতে ছোটবেলার মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুলিয়ানো ক্রু ভালাদি। এ ছাড়াও সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের চরিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর বাবা জো জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলম্যান ডমিংগো। মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের চরিত্রে আছে নিয়া লংক। বোন লাটোয়া জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসিকা সুলা।

এ ছাড়া সংগীত জগতের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি, সংগীত নির্বাহী সুজান দে পাসে এবং ডায়ানা রসের চরিত্রও। এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে মাইকেলের ক্যারিয়ারের পেছনের মানুষদের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্মাতা জানিয়েছেন, মাইকেল শুধু একটি বায়োপিক নয়, এক অনুভব। এই সিনেমা কেবল ঘটনাপ্রবাহ সাজাবে না। এটি চেষ্টা করবে একটি অনুভূতি ধরতে। একজন মানুষ, যিনি পৃথিবীর কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছিলেন, কিন্তু নিজের ভেতরের শূন্যতাকে কখনও পূরণ করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত, সিনেমাটি মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।

মাইকেল জ্যাকসন কি শুধু একজন পপতারকা? নাকি তিনি ছিলেন এক অসমাপ্ত গল্প, যার প্রতিটি নোটে লুকিয়ে আছে আনন্দ, বেদনা আর একাকিত্ব? সম্ভবত এ কারণেই, আজকের ব্যস্ত পৃথিবীতেও আমরা বারবার ফিরে যাই মাইকেল জ্যাকসেনের সেই জাদুকরী জগতে।