বলিউডে কর্মঘণ্টা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। কয়েকমাস আগে আট ঘণ্টার শুটিং শিফটের দাবি করে ‘পুরুষতান্ত্রিক সিনেমাদুনিয়া’কে নাড়িয়ে দেন সময়ে শীর্ষ পারিশ্রমিক নেওয়া নায়িকা দীপিকা পাড়ুকোন। শুধু তিনি নন তার সঙ্গে একই বিষয়ে একমত পোষণ করেন বহু তারকা
এবার দীর্ঘ কাজের সময়, অনিয়মিত বিরতি আর ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার অভাবসহ নানা সমস্যা সামনে আনলেন বলিউড অভিনেত্রী অর্চনা পুরণ সিং। সম্প্রতি ওয়েব প্রজেক্ট ‘টোস্টার’-এর প্রচারে গিয়ে তিনি খোলাখুলি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তার অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের বাইরে গিয়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক সময় ঠিক মতো লাঞ্চ ব্রেকও দেওয়া হয় না।

তার ভাষায়, ‘যারা রোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভারী সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করেন, তাদের ন্যূনতম খাবারের সুযোগ না দেওয়া অত্যন্ত অন্যায্য। এটা এক ধরনের ছোট মানসিকতা।’
তার কথায়, দীর্ঘ শিডিউলের মাঝেও মৌলিক প্রয়োজন। যেমন খাবারের বিরতি। কিন্তু অনেক সময় এই মৌলিক চাহিদাও উপেক্ষিত হয়।
অন্যদিকে অভিনেতা রাজকুমার রাও প্রশ্ন তুলেছেন শুটিংয়ের সময়সূচি নিয়েই। তার মতে, কাজের গতি বজায় রেখেও কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব, যদি পরিকল্পনা সঠিকভাবে করা হয়।
এই বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও কাজের সময়সীমা নিয়ে সরব হয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। আট ঘণ্টার কাজের দাবি না মানায় তিনি কিছু প্রজেক্ট থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তার মতে, অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
সব মিলিয়ে, তারকাদের এই অভিজ্ঞতা আবারও মনে করিয়ে দিল—চকচকে পর্দার আড়ালে এখনও রয়েছে বহু অনিয়ম। আর এই বাস্তব বদলাতে গেলে প্রয়োজন শুধু নিয়ম নয়, দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন।
প্রতিনিধির নাম 













