ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

পাবনায় লেবুর বাজারে আগুন, কেজি প্রতি ২০০ টাকা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় লেবুর বাজারে আগুন, কেজি প্রতি ২০০ টাকা

পাবনা জেলার নয়টি উপজেলার সর্বত্র পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে না হতেই অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্যের বাজার। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে রমজান। এর আগেই  ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে পাবনা জেলার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে বুধবার বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া বাজার ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কেজি দরে কিনতে গেলে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

NEWS21
NEWS21

ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান আসার কয়েকদিন আগেও লেবুর দাম ছিল বেশ সহনীয়। কিন্তু রোজা শুরু হওয়াকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে রাতারাতি দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাজারে আসা নজরুল ইসলাম নামে এক সাধারণ ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু হবে। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে একটু লেবুর শরবত খাব, তারও উপায় নেই। এক কেজি লেবুর দাম যদি ২০০ টাকা হয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ কী খাবে? বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা জানান, শুধু লেবু নয়, রোজা শুরুর সাথে সাথে শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য রোজা রাখা এবং পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।

স্থানীয়রা জানান, রমজানকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে সাধারণ মানুষের। এ অবস্থায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর বাজার মনিটরিং এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

কনজ্যুমারের অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পাবনা জেলা সরকার সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন,  জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের উচিত বাজার অভিযান করে দ্রুত লেবুসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমিয়ে আনা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, লেবুর দামসহ অন্যান্য পণ্যের দামের নিবিড় তদারকি করা হচ্ছে। লেবুর বিষয়ে বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

পাবনায় লেবুর বাজারে আগুন, কেজি প্রতি ২০০ টাকা

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনা জেলার নয়টি উপজেলার সর্বত্র পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে না হতেই অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্যের বাজার। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে রমজান। এর আগেই  ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে পাবনা জেলার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে বুধবার বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া বাজার ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কেজি দরে কিনতে গেলে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

NEWS21
NEWS21

ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান আসার কয়েকদিন আগেও লেবুর দাম ছিল বেশ সহনীয়। কিন্তু রোজা শুরু হওয়াকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে রাতারাতি দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাজারে আসা নজরুল ইসলাম নামে এক সাধারণ ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু হবে। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে একটু লেবুর শরবত খাব, তারও উপায় নেই। এক কেজি লেবুর দাম যদি ২০০ টাকা হয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ কী খাবে? বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা জানান, শুধু লেবু নয়, রোজা শুরুর সাথে সাথে শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য রোজা রাখা এবং পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।

স্থানীয়রা জানান, রমজানকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে সাধারণ মানুষের। এ অবস্থায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর বাজার মনিটরিং এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

কনজ্যুমারের অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পাবনা জেলা সরকার সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন,  জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের উচিত বাজার অভিযান করে দ্রুত লেবুসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমিয়ে আনা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, লেবুর দামসহ অন্যান্য পণ্যের দামের নিবিড় তদারকি করা হচ্ছে। লেবুর বিষয়ে বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে।