ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

২৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ফুটবল শূন্যে ভাসিয়ে গড়লো বিশ্ব রেকর্ড

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

২৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ফুটবল শূন্যে ভাসিয়ে গড়লো বিশ্ব রেকর্ড

একজন ফুটবলারের জন্য বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা সবে ফুটবল খেলা শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য একটানা ১০ বার বল জাগলিং করাটাই যথেষ্ট কঠিন হতে পারে। সেখানে টানা ২৮ ঘণ্টা ২১ মিনিট ২ সেকেন্ড ফুটবল জাগলিং করা অবিশ্বাস্যই বটে। তবে এ অবিশ্বাস্য ক্রীড়ানৈপুণ্যই দেখিয়েছেন ড্যানিয়েল ইয়াকব নামের একজন সুইডিশ ফুটবলপ্রেমী।

ড্যানিয়েল ইয়াকব এ পুরোটা সময় বল মাটিতে পড়তে দেননি। এক দিনের বেশি সময় ধরে করা এ জাগলিং বিশ্ব রেকর্ডের খেতাবও এনে দিয়েছে তাঁকে।

ফুটবল জাগলিং হলো হাত ব্যবহার না করে শরীরের বিভিন্ন অংশ (পা, হাঁটু, বুক ও মাথা) দিয়ে ফুটবলকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখার একটি দক্ষতা। এটি ‘কিপস-আপ’ নামেও পরিচিত।

গত বছরের ৩১ মে সুইডেনের লিংকোপিংয়ে রিশ্যালেন স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এ রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়। ড্যানিয়েল ভোর চারটায় জাগলিং শুরু করেন। এ জন্য তিনি হাঁটু, বুক, মাথা ও পা ব্যবহার করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি তিন ঘণ্টায় ড্যানিয়েলকে ১৫ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

NEW21
NEW21

এ রেকর্ডের মাধ্যমে ব্রিটিশ নাগরিক ড্যান ম্যাগনেসের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন ড্যানিয়েল। ২০১০ সালের জুন মাসে ম্যাগনেস ২৬ ঘণ্টা ধরে ফুটবল জাগলিং করেছিলেন। ড্যানিয়েল তাঁর চেয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন।

ড্যানিয়েল ইয়াকব মূলত একজন ফ্রিস্টাইল ফুটবলার। তিনি টিকটকে ফুটবলের নানা কৌশল শেখান। রেকর্ড গড়ার পর তিনি জানান, তাঁর এ প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল, অন্যদের শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে উৎসাহিত করা। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি ভালো উপায়।

রেকর্ড গড়ার চেষ্টার সময় ড্যানিয়েল ঝুঁকি নেননি। তিনি জটিল কৌশল এড়িয়ে শুধু ধারাবাহিকভাবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ওপর জোর দেন; যা শেষ পর্যন্ত তাঁকে সাফল্য এনে দেয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

২৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ফুটবল শূন্যে ভাসিয়ে গড়লো বিশ্ব রেকর্ড

আপডেট সময় : ০৫:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

একজন ফুটবলারের জন্য বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা সবে ফুটবল খেলা শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য একটানা ১০ বার বল জাগলিং করাটাই যথেষ্ট কঠিন হতে পারে। সেখানে টানা ২৮ ঘণ্টা ২১ মিনিট ২ সেকেন্ড ফুটবল জাগলিং করা অবিশ্বাস্যই বটে। তবে এ অবিশ্বাস্য ক্রীড়ানৈপুণ্যই দেখিয়েছেন ড্যানিয়েল ইয়াকব নামের একজন সুইডিশ ফুটবলপ্রেমী।

ড্যানিয়েল ইয়াকব এ পুরোটা সময় বল মাটিতে পড়তে দেননি। এক দিনের বেশি সময় ধরে করা এ জাগলিং বিশ্ব রেকর্ডের খেতাবও এনে দিয়েছে তাঁকে।

ফুটবল জাগলিং হলো হাত ব্যবহার না করে শরীরের বিভিন্ন অংশ (পা, হাঁটু, বুক ও মাথা) দিয়ে ফুটবলকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখার একটি দক্ষতা। এটি ‘কিপস-আপ’ নামেও পরিচিত।

গত বছরের ৩১ মে সুইডেনের লিংকোপিংয়ে রিশ্যালেন স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এ রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়। ড্যানিয়েল ভোর চারটায় জাগলিং শুরু করেন। এ জন্য তিনি হাঁটু, বুক, মাথা ও পা ব্যবহার করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি তিন ঘণ্টায় ড্যানিয়েলকে ১৫ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

NEW21
NEW21

এ রেকর্ডের মাধ্যমে ব্রিটিশ নাগরিক ড্যান ম্যাগনেসের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন ড্যানিয়েল। ২০১০ সালের জুন মাসে ম্যাগনেস ২৬ ঘণ্টা ধরে ফুটবল জাগলিং করেছিলেন। ড্যানিয়েল তাঁর চেয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন।

ড্যানিয়েল ইয়াকব মূলত একজন ফ্রিস্টাইল ফুটবলার। তিনি টিকটকে ফুটবলের নানা কৌশল শেখান। রেকর্ড গড়ার পর তিনি জানান, তাঁর এ প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল, অন্যদের শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে উৎসাহিত করা। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি ভালো উপায়।

রেকর্ড গড়ার চেষ্টার সময় ড্যানিয়েল ঝুঁকি নেননি। তিনি জটিল কৌশল এড়িয়ে শুধু ধারাবাহিকভাবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ওপর জোর দেন; যা শেষ পর্যন্ত তাঁকে সাফল্য এনে দেয়।