ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ অভিনয়ের আড়ালে অন্যরকম নিলয় আলমগীর মেসি শাস্তি পাননি, বালোগান কেন লাল কার্ড দেখলেন? ভুয়া প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে কসবায় আটক ২ জন এক লাফে ৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অদ্য ২৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে অথরাইজড অফিসার জোন- ৭ এর দপ্তরে দুইটি গবেষণা পত্র এর সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করা হয় ভূমিকম্প ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে রাজউক । সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি

২৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ফুটবল শূন্যে ভাসিয়ে গড়লো বিশ্ব রেকর্ড

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

২৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ফুটবল শূন্যে ভাসিয়ে গড়লো বিশ্ব রেকর্ড

একজন ফুটবলারের জন্য বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা সবে ফুটবল খেলা শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য একটানা ১০ বার বল জাগলিং করাটাই যথেষ্ট কঠিন হতে পারে। সেখানে টানা ২৮ ঘণ্টা ২১ মিনিট ২ সেকেন্ড ফুটবল জাগলিং করা অবিশ্বাস্যই বটে। তবে এ অবিশ্বাস্য ক্রীড়ানৈপুণ্যই দেখিয়েছেন ড্যানিয়েল ইয়াকব নামের একজন সুইডিশ ফুটবলপ্রেমী।

ড্যানিয়েল ইয়াকব এ পুরোটা সময় বল মাটিতে পড়তে দেননি। এক দিনের বেশি সময় ধরে করা এ জাগলিং বিশ্ব রেকর্ডের খেতাবও এনে দিয়েছে তাঁকে।

ফুটবল জাগলিং হলো হাত ব্যবহার না করে শরীরের বিভিন্ন অংশ (পা, হাঁটু, বুক ও মাথা) দিয়ে ফুটবলকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখার একটি দক্ষতা। এটি ‘কিপস-আপ’ নামেও পরিচিত।

গত বছরের ৩১ মে সুইডেনের লিংকোপিংয়ে রিশ্যালেন স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এ রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়। ড্যানিয়েল ভোর চারটায় জাগলিং শুরু করেন। এ জন্য তিনি হাঁটু, বুক, মাথা ও পা ব্যবহার করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি তিন ঘণ্টায় ড্যানিয়েলকে ১৫ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

NEW21
NEW21

এ রেকর্ডের মাধ্যমে ব্রিটিশ নাগরিক ড্যান ম্যাগনেসের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন ড্যানিয়েল। ২০১০ সালের জুন মাসে ম্যাগনেস ২৬ ঘণ্টা ধরে ফুটবল জাগলিং করেছিলেন। ড্যানিয়েল তাঁর চেয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন।

ড্যানিয়েল ইয়াকব মূলত একজন ফ্রিস্টাইল ফুটবলার। তিনি টিকটকে ফুটবলের নানা কৌশল শেখান। রেকর্ড গড়ার পর তিনি জানান, তাঁর এ প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল, অন্যদের শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে উৎসাহিত করা। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি ভালো উপায়।

রেকর্ড গড়ার চেষ্টার সময় ড্যানিয়েল ঝুঁকি নেননি। তিনি জটিল কৌশল এড়িয়ে শুধু ধারাবাহিকভাবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ওপর জোর দেন; যা শেষ পর্যন্ত তাঁকে সাফল্য এনে দেয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ

২৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ফুটবল শূন্যে ভাসিয়ে গড়লো বিশ্ব রেকর্ড

আপডেট সময় : ০৫:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

একজন ফুটবলারের জন্য বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা সবে ফুটবল খেলা শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য একটানা ১০ বার বল জাগলিং করাটাই যথেষ্ট কঠিন হতে পারে। সেখানে টানা ২৮ ঘণ্টা ২১ মিনিট ২ সেকেন্ড ফুটবল জাগলিং করা অবিশ্বাস্যই বটে। তবে এ অবিশ্বাস্য ক্রীড়ানৈপুণ্যই দেখিয়েছেন ড্যানিয়েল ইয়াকব নামের একজন সুইডিশ ফুটবলপ্রেমী।

ড্যানিয়েল ইয়াকব এ পুরোটা সময় বল মাটিতে পড়তে দেননি। এক দিনের বেশি সময় ধরে করা এ জাগলিং বিশ্ব রেকর্ডের খেতাবও এনে দিয়েছে তাঁকে।

ফুটবল জাগলিং হলো হাত ব্যবহার না করে শরীরের বিভিন্ন অংশ (পা, হাঁটু, বুক ও মাথা) দিয়ে ফুটবলকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখার একটি দক্ষতা। এটি ‘কিপস-আপ’ নামেও পরিচিত।

গত বছরের ৩১ মে সুইডেনের লিংকোপিংয়ে রিশ্যালেন স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এ রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়। ড্যানিয়েল ভোর চারটায় জাগলিং শুরু করেন। এ জন্য তিনি হাঁটু, বুক, মাথা ও পা ব্যবহার করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি তিন ঘণ্টায় ড্যানিয়েলকে ১৫ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

NEW21
NEW21

এ রেকর্ডের মাধ্যমে ব্রিটিশ নাগরিক ড্যান ম্যাগনেসের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন ড্যানিয়েল। ২০১০ সালের জুন মাসে ম্যাগনেস ২৬ ঘণ্টা ধরে ফুটবল জাগলিং করেছিলেন। ড্যানিয়েল তাঁর চেয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন।

ড্যানিয়েল ইয়াকব মূলত একজন ফ্রিস্টাইল ফুটবলার। তিনি টিকটকে ফুটবলের নানা কৌশল শেখান। রেকর্ড গড়ার পর তিনি জানান, তাঁর এ প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল, অন্যদের শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে উৎসাহিত করা। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি ভালো উপায়।

রেকর্ড গড়ার চেষ্টার সময় ড্যানিয়েল ঝুঁকি নেননি। তিনি জটিল কৌশল এড়িয়ে শুধু ধারাবাহিকভাবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ওপর জোর দেন; যা শেষ পর্যন্ত তাঁকে সাফল্য এনে দেয়।