ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু, দাম ৪৫০!

কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু, দাম ৪৫০!

রংপুরের মাহিগঞ্জের দেওয়ানটুলি এলাকায় কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে কোরবানির পশু। জমজম ক্যাটল ফার্ম নামের আব্দুল মতিনের গরুর খামারে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে কোরবানির পশু। এতে স্থানীয় লোকজন মহা খুশি।

হাটে না গিয়ে খামার থেকে গরু কিনতে পারছেন তারা। কেজি ৪৫০ টাকা। বাজারের চেয়ে অনেক কম দাম। বর্তমানে বাজার থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস কিনতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে খামারি আব্দুল মতিন বলেন, ‘অনেক বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা আসছেন এই খামারে। চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা অনেক বেশি। চার বছর আগে খামারটি চালু করেছি। আমার খামারে কোরবানির গরুর পাশাপাশি দুম্বা রয়েছে।’

খামারি মতিন জানান, হাট থেকে গরু কিনতে গেলে ঝুঁকি থেকে যায়। কারণ দূর-দূরান্ত থেকে আসা গরুকে মোটাতাজাকরণ ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে কিনা, সেটা বোঝার উপায় নেই। কিন্তু তাঁর খামারে এ ধরনের কোনো ওষুধ খাওয়ানো হয় না।

কামাল, আরমান ও গফুর মিয়া নামের তিন ক্রেতা বলেন, ‘জমজম ক্যাটল ফার্মে গরু কিনতে এসেছি। বেশ কিছু হাট ঘুরে পছন্দসই গরু কিনতে পারিনি। এ কারণে খামারে এসেছি। ওজনে মেপে পছন্দমতো গরু কেনার পদ্ধতিটি ভালো লেগেছে। ঝামেলামুক্ত এবং ফ্রেশ গরু কিনতে এখানে এসেছি। ওজন স্কেলে গরু বেচাকেনায় সুবিধা অনেক। ওজন স্কেলে গরু মেপে বেচাকেনার কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ঠকে যাওয়ার চিন্তা নেই। বাজেট অনুযায়ী সুস্থ-সবল পশু কিনতে পারছি।’

এবার রংপুর বিভাগের আট জেলায় খামারিদের কাছে রেকর্ড পরিমাণ কোরবানির উপযোগী পশু রয়েছে। এ বিভাগের চাহিদা মিটিয়েও রেকর্ড আট লাখ ৩৪ হাজারের বেশি পশু বিক্রি করা সম্ভব হবে। তবে পশুখাদ্যের মূল্য অনেক বেড়ে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্রেতা ও বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর গরু লালন-পালন করে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে গরুর হাটে দালালদের কারণে লোকসান গুনতে হবে।

রংপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক জানান, চলতি বছর কোরবানির জন্য রংপুর বিভাগে পশু প্রস্তুত ২১ লাখ ৫২ হাজার ৩১৯টি। অন্যদিকে রংপুর বিভাগের আট জেলায় চাহিদা ১৩ লাখ ১৮ হাজার ১১৭টি পশুর। এর মধ্যে উদ্বৃত্ত থাকবে ৯ লাখেরও বেশি পশু।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু, দাম ৪৫০!

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

রংপুরের মাহিগঞ্জের দেওয়ানটুলি এলাকায় কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে কোরবানির পশু। জমজম ক্যাটল ফার্ম নামের আব্দুল মতিনের গরুর খামারে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে কোরবানির পশু। এতে স্থানীয় লোকজন মহা খুশি।

হাটে না গিয়ে খামার থেকে গরু কিনতে পারছেন তারা। কেজি ৪৫০ টাকা। বাজারের চেয়ে অনেক কম দাম। বর্তমানে বাজার থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস কিনতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে খামারি আব্দুল মতিন বলেন, ‘অনেক বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা আসছেন এই খামারে। চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা অনেক বেশি। চার বছর আগে খামারটি চালু করেছি। আমার খামারে কোরবানির গরুর পাশাপাশি দুম্বা রয়েছে।’

খামারি মতিন জানান, হাট থেকে গরু কিনতে গেলে ঝুঁকি থেকে যায়। কারণ দূর-দূরান্ত থেকে আসা গরুকে মোটাতাজাকরণ ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে কিনা, সেটা বোঝার উপায় নেই। কিন্তু তাঁর খামারে এ ধরনের কোনো ওষুধ খাওয়ানো হয় না।

কামাল, আরমান ও গফুর মিয়া নামের তিন ক্রেতা বলেন, ‘জমজম ক্যাটল ফার্মে গরু কিনতে এসেছি। বেশ কিছু হাট ঘুরে পছন্দসই গরু কিনতে পারিনি। এ কারণে খামারে এসেছি। ওজনে মেপে পছন্দমতো গরু কেনার পদ্ধতিটি ভালো লেগেছে। ঝামেলামুক্ত এবং ফ্রেশ গরু কিনতে এখানে এসেছি। ওজন স্কেলে গরু বেচাকেনায় সুবিধা অনেক। ওজন স্কেলে গরু মেপে বেচাকেনার কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ঠকে যাওয়ার চিন্তা নেই। বাজেট অনুযায়ী সুস্থ-সবল পশু কিনতে পারছি।’

এবার রংপুর বিভাগের আট জেলায় খামারিদের কাছে রেকর্ড পরিমাণ কোরবানির উপযোগী পশু রয়েছে। এ বিভাগের চাহিদা মিটিয়েও রেকর্ড আট লাখ ৩৪ হাজারের বেশি পশু বিক্রি করা সম্ভব হবে। তবে পশুখাদ্যের মূল্য অনেক বেড়ে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্রেতা ও বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর গরু লালন-পালন করে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে গরুর হাটে দালালদের কারণে লোকসান গুনতে হবে।

রংপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক জানান, চলতি বছর কোরবানির জন্য রংপুর বিভাগে পশু প্রস্তুত ২১ লাখ ৫২ হাজার ৩১৯টি। অন্যদিকে রংপুর বিভাগের আট জেলায় চাহিদা ১৩ লাখ ১৮ হাজার ১১৭টি পশুর। এর মধ্যে উদ্বৃত্ত থাকবে ৯ লাখেরও বেশি পশু।