ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু

গাঁজার পুকুর আগুনে বাঁচালো ঘিওর বাজারকে

৩জুলাই মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ভয়াবহ অগ্মিকান্ডে পুড়েছে ১৫টি কাপড়ের দোকান ও ৩টি স্বর্ণকার দোকান। এতে অনুমান সাড়ে তিন কোটি টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে দাবী রয়েছে ব্যবসায়ীদের । ঘিওর বাজারের মোহাম্মদ আলী সড়কের দক্ষিণ অংশে সাউথ ইষ্ট ব্যাংকের পশ্চিম পাশে সাড়িবদ্ধ দোকানগুলোতে এ অগ্মিকান্ড ঘটে। আগুনের সুত্রপাত বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আহাজারি আর কান্নায় লুটিয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। বলছেন অনেকেই এতে নিঃশ^ অসহায় হয়ে পড়েছেন। আগামী ১০ বছরেও এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন না। ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১৩ সদস্যের একটি টিম ও দৌলতপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের টিম সহ মানিকগঞ্জ সদরের তিন সদস্যের সমন্বিত অভিযানে প্রায় দেড় ঘন্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় বড় মসজিদ ও থানা মসজিদের মুসল্লী ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের সাথে অগ্মি নির্বাপনে সহযোগিতা করে।

ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পৌছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত কাজ শুরু করেন। আগুনের স্ফুলিঙ্ক এতো বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের ড্রাম ট্রাকে যে পরিমাণ পানি ছিল তা মুহুর্তের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। একদিকে অপরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনায় দোকানপাট গড়ে তোলার কারণে ভিতরে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে একেবারে পাশেই একটি বিশাল পুকুর ছিল। যেটা গাঁজার পুকুর নামে পরিচিত। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের মোটরগুলো পুকুরে সংযোগ করে পানি নিক্ষেপনের দ্রুত ব্যবস্থা করে। তিনি আরো বলেন, যদি গাঁজার পুকুরটি না থাকতো তাহলে ভয়াবহ এ অগ্মিকান্ডে হয়তো পুরো বাজার পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। গাঁজার পুকুর থাকার কারণেই পুরো বাজারটি বিরাট বিপদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সহায়ক ভূমিকার সৃষ্টি করেছে। তাই ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা পুকুরটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যেও মতামত প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ

গাঁজার পুকুর আগুনে বাঁচালো ঘিওর বাজারকে

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

৩জুলাই মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ভয়াবহ অগ্মিকান্ডে পুড়েছে ১৫টি কাপড়ের দোকান ও ৩টি স্বর্ণকার দোকান। এতে অনুমান সাড়ে তিন কোটি টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে দাবী রয়েছে ব্যবসায়ীদের । ঘিওর বাজারের মোহাম্মদ আলী সড়কের দক্ষিণ অংশে সাউথ ইষ্ট ব্যাংকের পশ্চিম পাশে সাড়িবদ্ধ দোকানগুলোতে এ অগ্মিকান্ড ঘটে। আগুনের সুত্রপাত বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আহাজারি আর কান্নায় লুটিয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। বলছেন অনেকেই এতে নিঃশ^ অসহায় হয়ে পড়েছেন। আগামী ১০ বছরেও এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন না। ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১৩ সদস্যের একটি টিম ও দৌলতপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের টিম সহ মানিকগঞ্জ সদরের তিন সদস্যের সমন্বিত অভিযানে প্রায় দেড় ঘন্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় বড় মসজিদ ও থানা মসজিদের মুসল্লী ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের সাথে অগ্মি নির্বাপনে সহযোগিতা করে।

ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পৌছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত কাজ শুরু করেন। আগুনের স্ফুলিঙ্ক এতো বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের ড্রাম ট্রাকে যে পরিমাণ পানি ছিল তা মুহুর্তের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। একদিকে অপরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনায় দোকানপাট গড়ে তোলার কারণে ভিতরে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে একেবারে পাশেই একটি বিশাল পুকুর ছিল। যেটা গাঁজার পুকুর নামে পরিচিত। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের মোটরগুলো পুকুরে সংযোগ করে পানি নিক্ষেপনের দ্রুত ব্যবস্থা করে। তিনি আরো বলেন, যদি গাঁজার পুকুরটি না থাকতো তাহলে ভয়াবহ এ অগ্মিকান্ডে হয়তো পুরো বাজার পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। গাঁজার পুকুর থাকার কারণেই পুরো বাজারটি বিরাট বিপদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সহায়ক ভূমিকার সৃষ্টি করেছে। তাই ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা পুকুরটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যেও মতামত প্রকাশ করেছেন।