বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কুষ্টিয়া শাখা-২ কর্তৃক কুমারখালি উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের বাঁধবাজার এলাকায় ৫৪ বছর ধরে গড়ে উঠা দোকানপাট ও বসতবাড়ি উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কুষ্টিয়া। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
বুধবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় কুষ্টিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পের সামনে বাঁধবাজার বনিক সমিতির আয়োজিত মানববন্ধনে শতাধিক স্থানী ব্যবসায়ী ও বসবাসকারী অংশগ্রহণ করেন।
বাঁধবাজার বনিক সমিতির সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে এখানে ব্যবসা ও বসবাস করে আসছি। হঠাৎ করে ৭ দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড যে নোটিশ দিয়েছে, তা বাস্তবতা বিবর্জিত ও অমানবিক। এত অল্প সময়ের মধ্যে দোকানঘর ও পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা অনুরোধ করছি, গরিব ও ভূমিহীন মানুষের জীবনের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হোক।’
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারির অভাবে গড়ে উঠা এ এলাকাটি এখন একরকম আবাসিক ও ব্যবসায়িক এলাকায় পরিণত হয়েছে। অথচ হঠাৎ করে উচ্ছেদ নোটিশ দিয়ে তাদের জীবনকে অন্ধকারে দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।।’ এসময় চাপড়া ইউনিয়নের বাঁধবাজার এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ শত শত মানুষ এতে অংশগ্রহন করেন।
পরে বাঁধবাজার বনিক সমিতির সভাপতি ফারুক হোসেন নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কুষ্টিয়া সেনা ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, জেলা জুড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গাতে অবৈধ দখলে থাকা সব জমি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 









