ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

মৌলভীবাজারে এনসিপির জেলা সমন্বয় কমিটি নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা

কমিটির নতুন গঠন নিয়ে জেলা পর্যায়ে চলছে নানা জল্পনা ও সমালোচনা। অনেকেই আশা করছেন দলের গঠন দ্রুত সুষ্ঠু ও জনমুখী হবে যাতে স্থানীয় পর্যায়ে এনসিপির কার্যক্রম আরো শক্তিশালী হয়। তবে বর্তমানে কমিটির সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় ও যোগসূত্র নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
মৌলভীবাজারে খালেদ হাসানকে জাতীয় নাগরিক পাটির্র (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়কারী মনোনীত করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা সমন্বয় কমিটির ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফাহাদ আলম, এহসান জাকারিয়া, মো. ইকবাল হোসেন, রুমন কবির, শামায়েল রহমান, নিলয় রশিদ, সানাউল ইসলাম, শাহ মিসবাহ ও সৈৗমিত্র দেব। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন কৌশিক দে, জাহাঙ্গীর আলম, ভীমপল সিনহা, রাসেল থিংগুজাম, জায়েদ আহমদ, সুমি চৌধুরী, প্রলয় বিশ্বাস, আব্দুল বারী খোবায়েব, বৈশিষ্ট্য গোয়ালা, তামিম আহমেদ, আবু সুফিয়ান, সৈয়দ মুফলেউস সালেকিন, সাফওয়ান চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল হোসাইন, লিংকন তালুকদার, জুবায়েল আহমদ, নিজাম উদ্দিন, আশরাফ আহমদ, মোহাম্মদ মেরাজচৌধুরী, মোহাম্মদ হিরাজ আলী শাহ ও হোসাইন আহমদ।
এই কমিটি আগামী তিন মাস অথবা আহ্বায়ক কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গত বুধবার রাতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের যৌথ স্বাক্ষরিত কমিটির তালিকা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই নতুন কমিটির যুগ্ন সমন্বয়কারী ফাহাদ আলম এবং সদস্য বৈশিষ্ট্য গোয়ালাকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তারা এসব পোস্টের সমর্থনে বিগত দিনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে তাদের প্রকাশ্যে অংশগ্রহণের ছবি এবং ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
বৈশিষ্ট্য গোয়ালার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাইলে রাজঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিজয় বুনার্জি জানান, বৈশিষ্ট্য গোয়ালা যুবলীগের রাজঘাট ইউনিয়নের সেক্রেটারি ছিল।
যুবলীগের পদে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বৈশিষ্ট্য গোয়ালা বলেন, যুবলীগ বলতে, কোন যুবলীগ! আপনি কি যুবলীগের রাজঘাট ইউনিয়নের সেক্রেটারি কিনা পুনরায় প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমারে দায়িত্ব দিছে, আমি জানি না ভাই; আমারে কোনোদিন জানাইছে না ভাই। যুবলীগ-আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিটিংয়ে অংশগ্রহ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি ইউপি মেম্বার হিসেবে তো অনেক পোগ্রামে যেতে পারি। আমি কোনো মিটিংয়ে গিয়ে যুবলীগের পরিচয় দেইনি। ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্তার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফাহাদ আলম বলেন, আমার ব্যাপারে ছাত্রলীগের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কোনোদিন ছাত্রলীগ করিনি। পূর্বে কোনো সংগঠন করেছেন কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অনেক আগে আমি ছাত্রশিবির করতাম।
এদিকে কমিটি ঘিরে ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক ওঠেছে। ফেসবুকে আহমেদ ইমন নামে একজন লেখেন, ফাহাদ আলম, সাবেক নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ২৪এর ফ্যাসিস্ট পতনের ইঙ্গিত পেয়ে মিশে যায় ছাত্রদের সাথে। চ্যালেঞ্জ হিসেবে বলা যেতে পারে ২৪এর আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট পতনের কোন ভূমিকা তার ছিলনা। পরবর্তীতে টাকা পয়সা খরচ করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সহজ সরল ছাত্রদের নিয়ে ফায়দা হাসিল করে। শ্রীমঙ্গল পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোঃ রিমন আহমদ কমেন্টে লেখেন, বৈশিষ্ট্য গোয়ালা রাজঘাট ইউনিয়ন যুবরীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলো। কমেন্টে মুর্শেদ আলম লেখেন, এজন্যই সম্ভবত একে চিল্ড্রেন পার্টি বলে অনেকে। ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফল হলেও এনসিপিতে জনমুখীতার অভাব রয়েছে। সুবিধাবাদী পুলাপান জায়গা নিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। এনসিপি জনবিচ্ছিন্ন হোক সেটা চাই না। সুবিধাবাদী পোলাপান প্রশাসনিক সুবিধা নিয়ে একে কিংস পার্টিতে পরিণত করেছে।
প্রধান সমন্বয়কারী খালেদ হাসান বলেন, কমিটির বেশির ভাগ সদস্যই ব্যবসায়ী; কেউ কেউ ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, আবার কেউ সদ্য ছাত্রজীবন শেষ করেছেন। বৈশিষ্ট্য গোয়ালা মৌলভীবাজার সমন্বয়ক কমিটিতে কিভাবে এসেছে এটা আমি নিজেও জানি না। কেন্দ্রে থেকেই তার ডোকানো হয়েছে। সে যুববলীগ করেছে কিনা আমার জানা নেই। তবে আমাদের পরিচিতি সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে এবং খোঁজ নিয়ে দেখবো।
ফাহাদ আলমের সাথে আমার সম্পর্ক হওয়ার পর আমি তাকে ছাত্রলীগ বা অন্য কোনো দলের সাথে কাজ করতে দেখিনি। তবে ৫ আগস্টের আগে আওয়ামীগীগের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে ছাত্রলীগ ছেড়ে বিভিন্ন দলে যুক্ত হচ্ছে এটাও সত্য। প্রধান সমন্বয়কারী খালেদ হাসান নিজের ব্যাপারে বলেন, তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং তাঁর একটি ফার্মেসি রয়েছে। ছাত্রাবস্থায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৫ সাল থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এরপর আর কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

মৌলভীবাজারে এনসিপির জেলা সমন্বয় কমিটি নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা

আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

কমিটির নতুন গঠন নিয়ে জেলা পর্যায়ে চলছে নানা জল্পনা ও সমালোচনা। অনেকেই আশা করছেন দলের গঠন দ্রুত সুষ্ঠু ও জনমুখী হবে যাতে স্থানীয় পর্যায়ে এনসিপির কার্যক্রম আরো শক্তিশালী হয়। তবে বর্তমানে কমিটির সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় ও যোগসূত্র নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
মৌলভীবাজারে খালেদ হাসানকে জাতীয় নাগরিক পাটির্র (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়কারী মনোনীত করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা সমন্বয় কমিটির ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফাহাদ আলম, এহসান জাকারিয়া, মো. ইকবাল হোসেন, রুমন কবির, শামায়েল রহমান, নিলয় রশিদ, সানাউল ইসলাম, শাহ মিসবাহ ও সৈৗমিত্র দেব। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন কৌশিক দে, জাহাঙ্গীর আলম, ভীমপল সিনহা, রাসেল থিংগুজাম, জায়েদ আহমদ, সুমি চৌধুরী, প্রলয় বিশ্বাস, আব্দুল বারী খোবায়েব, বৈশিষ্ট্য গোয়ালা, তামিম আহমেদ, আবু সুফিয়ান, সৈয়দ মুফলেউস সালেকিন, সাফওয়ান চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল হোসাইন, লিংকন তালুকদার, জুবায়েল আহমদ, নিজাম উদ্দিন, আশরাফ আহমদ, মোহাম্মদ মেরাজচৌধুরী, মোহাম্মদ হিরাজ আলী শাহ ও হোসাইন আহমদ।
এই কমিটি আগামী তিন মাস অথবা আহ্বায়ক কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গত বুধবার রাতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের যৌথ স্বাক্ষরিত কমিটির তালিকা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই নতুন কমিটির যুগ্ন সমন্বয়কারী ফাহাদ আলম এবং সদস্য বৈশিষ্ট্য গোয়ালাকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তারা এসব পোস্টের সমর্থনে বিগত দিনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে তাদের প্রকাশ্যে অংশগ্রহণের ছবি এবং ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
বৈশিষ্ট্য গোয়ালার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাইলে রাজঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিজয় বুনার্জি জানান, বৈশিষ্ট্য গোয়ালা যুবলীগের রাজঘাট ইউনিয়নের সেক্রেটারি ছিল।
যুবলীগের পদে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বৈশিষ্ট্য গোয়ালা বলেন, যুবলীগ বলতে, কোন যুবলীগ! আপনি কি যুবলীগের রাজঘাট ইউনিয়নের সেক্রেটারি কিনা পুনরায় প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমারে দায়িত্ব দিছে, আমি জানি না ভাই; আমারে কোনোদিন জানাইছে না ভাই। যুবলীগ-আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিটিংয়ে অংশগ্রহ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি ইউপি মেম্বার হিসেবে তো অনেক পোগ্রামে যেতে পারি। আমি কোনো মিটিংয়ে গিয়ে যুবলীগের পরিচয় দেইনি। ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্তার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফাহাদ আলম বলেন, আমার ব্যাপারে ছাত্রলীগের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কোনোদিন ছাত্রলীগ করিনি। পূর্বে কোনো সংগঠন করেছেন কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অনেক আগে আমি ছাত্রশিবির করতাম।
এদিকে কমিটি ঘিরে ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক ওঠেছে। ফেসবুকে আহমেদ ইমন নামে একজন লেখেন, ফাহাদ আলম, সাবেক নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ২৪এর ফ্যাসিস্ট পতনের ইঙ্গিত পেয়ে মিশে যায় ছাত্রদের সাথে। চ্যালেঞ্জ হিসেবে বলা যেতে পারে ২৪এর আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট পতনের কোন ভূমিকা তার ছিলনা। পরবর্তীতে টাকা পয়সা খরচ করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সহজ সরল ছাত্রদের নিয়ে ফায়দা হাসিল করে। শ্রীমঙ্গল পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোঃ রিমন আহমদ কমেন্টে লেখেন, বৈশিষ্ট্য গোয়ালা রাজঘাট ইউনিয়ন যুবরীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলো। কমেন্টে মুর্শেদ আলম লেখেন, এজন্যই সম্ভবত একে চিল্ড্রেন পার্টি বলে অনেকে। ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফল হলেও এনসিপিতে জনমুখীতার অভাব রয়েছে। সুবিধাবাদী পুলাপান জায়গা নিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। এনসিপি জনবিচ্ছিন্ন হোক সেটা চাই না। সুবিধাবাদী পোলাপান প্রশাসনিক সুবিধা নিয়ে একে কিংস পার্টিতে পরিণত করেছে।
প্রধান সমন্বয়কারী খালেদ হাসান বলেন, কমিটির বেশির ভাগ সদস্যই ব্যবসায়ী; কেউ কেউ ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, আবার কেউ সদ্য ছাত্রজীবন শেষ করেছেন। বৈশিষ্ট্য গোয়ালা মৌলভীবাজার সমন্বয়ক কমিটিতে কিভাবে এসেছে এটা আমি নিজেও জানি না। কেন্দ্রে থেকেই তার ডোকানো হয়েছে। সে যুববলীগ করেছে কিনা আমার জানা নেই। তবে আমাদের পরিচিতি সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে এবং খোঁজ নিয়ে দেখবো।
ফাহাদ আলমের সাথে আমার সম্পর্ক হওয়ার পর আমি তাকে ছাত্রলীগ বা অন্য কোনো দলের সাথে কাজ করতে দেখিনি। তবে ৫ আগস্টের আগে আওয়ামীগীগের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে ছাত্রলীগ ছেড়ে বিভিন্ন দলে যুক্ত হচ্ছে এটাও সত্য। প্রধান সমন্বয়কারী খালেদ হাসান নিজের ব্যাপারে বলেন, তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং তাঁর একটি ফার্মেসি রয়েছে। ছাত্রাবস্থায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৫ সাল থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এরপর আর কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন না।