ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ হরমুজ প্রণালি সংকটে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে দায়ী করল চীন দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া নেই কোনো বিকল্প ১২ কেজি এলপিজির দাম এক লাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা

যশোরে কালাচ সাপের দংশনে একজনের মৃত্যু

  • Meghla
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

যশোরে কালাচ (পাতি কাল-কেউটে) সাপের দংশনে সুমাইয়া খাতুন (১১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সাপের দংশনে অসুস্থ্য অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মা খাদিজা খাতুন (৩২)।
বুধবার দিবাগত গভীর রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া মাঠপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সুমাইয়া খাতুন ওই গ্রামের ইমদাদুল হকের মেয়ে ও স্থানীয় মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
সুমাইয়ার নানি ফুলমতি বেগম জানান, বুধবার রাতে সুমাইয়া ও তার মা খাদিজা ঘরের মধ্যে মেঝেতে ঘুমিয়ে ছিল। সুমাইয়ার ছোট ভাই ও পিতা একই ঘরে খাটে ঘুমিয়ে ছিল। রাত একটার দিকে একটা কালাচ সাপ সুমাইয়াকে ঘুমন্ত অবস্থায় দংশন করে। এরপর খাদিজাকে দংশন করলে খাদিজা জেগে উঠে সাপ দেখে চিৎকার করেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটিকে মেরে ফেলেন।
সুমাইয়ার দাদা মোসলেম গাইন জানান, বিষক্রিয়ায় সুমাইয়া ও তার মায়ের শরীরে যন্ত্রণা শুরু হলে প্রতিবেশিরা তাদের দুইজনকে রাত চারটার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে সুমাইয়ার মৃত্যু হয়। তার মা খাদিজা খাতুন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত বলেন, মা-মেয়ে দুজনকেই এন্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। তারপরও মেয়েটি মারা গেছে।
তিনি বলেন, সাপটি আগে কাউকে দংশন করেছে কিনা, কতক্ষণ পর রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে- এরকম অনেকগুলো কারণের ওপর রোগীর মারা যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে।
এক প্রশ্নের জবাবে তত্ত্বাবধায়ক বলেন, এ দুইজন রোগীকে বেশ কয়েকটি করে এন্টিভেনম দেওয়া লেগেছে। এই দুইজনের চিকিৎসার মধ্য দিয়ে এই হাসপাতালে এন্টিভেনম শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে এর আগে একই উপজেলার বাকড়া ইউনিয়নের খলসি গ্রামে সাপের দংশনে মারা যান মিলন সরদার (৪৫) নামে এক কৃষক। মাঠে গরু আনতে গিয়ে সাপের দংশনের শিকার হন তিনি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026

যশোরে কালাচ সাপের দংশনে একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

যশোরে কালাচ (পাতি কাল-কেউটে) সাপের দংশনে সুমাইয়া খাতুন (১১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সাপের দংশনে অসুস্থ্য অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মা খাদিজা খাতুন (৩২)।
বুধবার দিবাগত গভীর রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া মাঠপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সুমাইয়া খাতুন ওই গ্রামের ইমদাদুল হকের মেয়ে ও স্থানীয় মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
সুমাইয়ার নানি ফুলমতি বেগম জানান, বুধবার রাতে সুমাইয়া ও তার মা খাদিজা ঘরের মধ্যে মেঝেতে ঘুমিয়ে ছিল। সুমাইয়ার ছোট ভাই ও পিতা একই ঘরে খাটে ঘুমিয়ে ছিল। রাত একটার দিকে একটা কালাচ সাপ সুমাইয়াকে ঘুমন্ত অবস্থায় দংশন করে। এরপর খাদিজাকে দংশন করলে খাদিজা জেগে উঠে সাপ দেখে চিৎকার করেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটিকে মেরে ফেলেন।
সুমাইয়ার দাদা মোসলেম গাইন জানান, বিষক্রিয়ায় সুমাইয়া ও তার মায়ের শরীরে যন্ত্রণা শুরু হলে প্রতিবেশিরা তাদের দুইজনকে রাত চারটার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে সুমাইয়ার মৃত্যু হয়। তার মা খাদিজা খাতুন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত বলেন, মা-মেয়ে দুজনকেই এন্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। তারপরও মেয়েটি মারা গেছে।
তিনি বলেন, সাপটি আগে কাউকে দংশন করেছে কিনা, কতক্ষণ পর রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে- এরকম অনেকগুলো কারণের ওপর রোগীর মারা যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে।
এক প্রশ্নের জবাবে তত্ত্বাবধায়ক বলেন, এ দুইজন রোগীকে বেশ কয়েকটি করে এন্টিভেনম দেওয়া লেগেছে। এই দুইজনের চিকিৎসার মধ্য দিয়ে এই হাসপাতালে এন্টিভেনম শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে এর আগে একই উপজেলার বাকড়া ইউনিয়নের খলসি গ্রামে সাপের দংশনে মারা যান মিলন সরদার (৪৫) নামে এক কৃষক। মাঠে গরু আনতে গিয়ে সাপের দংশনের শিকার হন তিনি।