নিউজ ২১ বাংলা ডট টিভি প্রতিবেদক
বিএনপির অভিযোগের পর নির্ধারিত সময়ের আগে ভোটের প্রচারকাজ না করতে চারটি রাজনৈতিক দলকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দল চারটি হচ্ছে- জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এরই মধ্যে এসব দলের প্রধানদের কাছে নির্দেশা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছে ইসি।
আজ মঙ্গলবার ইসি সূত্র এ চিঠির কথা নিশ্চিত করেছে। চিঠিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়, ২১ জানুয়ারির আগে নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এই চারটি দল নির্বাচনি প্রচার অব্যাহত রেখেছে। যা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার বিধি ১৮-এর পরিপন্থি।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিইসি এ এম এম নাসিরউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সিইসিকে দেওয়া হয়। সেখানে অভিযোগ করা হয়, জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের জোটভুক্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ ইসলামী শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের বিভিন্ন নির্বাচনি আসনে নির্বাচনী প্রচার অব্যাহত রেখেছে। তপশিল অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে এ ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা আচরণ বিধিমালা ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিএনপির চিঠিতে এরই মধ্যে ইসির অনেুরোধে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সফর কর্মসূচি স্থগিত করার কথা জানিয়ে আরও বলা হয়, আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছে, তা নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুণ্ন করার শামিল। অথচ নির্বাচন কমিশন রহস্যজনকভাবে নির্লিপ্ত রয়েছে। সব প্রার্থী যেন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলে ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।
বিএনপির ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলাম ও তার জোট শরিকদের সতর্ক করে ইসি’র পক্ষ থেকে ওই চিঠি পাঠানো হলো।
নির্বাচনের তপশিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে আগামীকাল বুধবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে। যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ করা হবে।
প্রতিনিধির নাম 



















