ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

‘ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার জনগণ বিশ্বাস করে না’

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার জনগণ বিশ্বাস করে না। ইতিপূর্বে অনেক দলীয় সরকারই ক্ষমতায় ছিল—কিন্তু কেউই সংস্কারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়নি।’

শনিবার ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের আয়োজনে ‘ঐক্য, সংস্কার, নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংলাপ-২০২৪’ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এমন একটি ভিত্তি দাঁড় করাবে, যার ওপরে ভিত্তি করে পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার—সংবিধান, নির্বাচন, বিচার বিভাগসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো সংস্কার করবে।
তবে কোনো ভিত্তি দাঁড় না করিয়ে–আগে নির্বাচন পরে সংস্কার এটা অযৌক্তিক।’তিনি আরো বলেন, ‘আমরা অভূতপূর্ব ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিলুপ্ত করেছি। পরবর্তীতে আমরা কী দেখলাম সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে–ঐক্য দুটি ভাগ হয়ে গেছে। যার কারণেই আজকে আলোচনা করতে হচ্ছে।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দেশে ইতিপূর্বে অনেক জনপ্রিয় নেতৃত্ব তৈরি হয়েছিল। তবে জনপ্রিয়তা স্থায়ী হয়নি। কারণ জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা না হলে জনপ্রিয়তা স্থায়ী হয় না। জনগণ ক্ষুধার্ত থাকলে কোনো সরকারই সমর্থন পাবে না।
আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন, তাদের অবস্থাও আমরা ভালো কিছু দেখছি না। চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দলে দলে মারামারি হচ্ছে। দেখা গেছে, এসব করতে গিয়ে নিজ দলের কর্মী তার অপর কর্মীকে হত্যা করছে। এদের কাছে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়।’তিনি বলেন, ‘আদর্শিক ও নৈতিক জ্ঞানে দেশের মানুষরা তৈরি না হলে আমাদের দেশের সংকটগুলো কাটবে না।

এগুলোর বাস্তবায়ন করা না হলে সংবিধান পরিবর্তন করেও কোনো সুফল আসবে না।’ 
ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

লিবিয়ার তদ্রু থেকে সমুদ্রযাত্রা, ৩৮ দিনেও সন্ধান নেই সোহেল রানার

‘ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার জনগণ বিশ্বাস করে না’

আপডেট সময় : ০১:২৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার জনগণ বিশ্বাস করে না। ইতিপূর্বে অনেক দলীয় সরকারই ক্ষমতায় ছিল—কিন্তু কেউই সংস্কারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়নি।’

শনিবার ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের আয়োজনে ‘ঐক্য, সংস্কার, নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংলাপ-২০২৪’ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এমন একটি ভিত্তি দাঁড় করাবে, যার ওপরে ভিত্তি করে পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার—সংবিধান, নির্বাচন, বিচার বিভাগসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো সংস্কার করবে।
তবে কোনো ভিত্তি দাঁড় না করিয়ে–আগে নির্বাচন পরে সংস্কার এটা অযৌক্তিক।’তিনি আরো বলেন, ‘আমরা অভূতপূর্ব ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিলুপ্ত করেছি। পরবর্তীতে আমরা কী দেখলাম সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে–ঐক্য দুটি ভাগ হয়ে গেছে। যার কারণেই আজকে আলোচনা করতে হচ্ছে।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দেশে ইতিপূর্বে অনেক জনপ্রিয় নেতৃত্ব তৈরি হয়েছিল। তবে জনপ্রিয়তা স্থায়ী হয়নি। কারণ জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা না হলে জনপ্রিয়তা স্থায়ী হয় না। জনগণ ক্ষুধার্ত থাকলে কোনো সরকারই সমর্থন পাবে না।
আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন, তাদের অবস্থাও আমরা ভালো কিছু দেখছি না। চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দলে দলে মারামারি হচ্ছে। দেখা গেছে, এসব করতে গিয়ে নিজ দলের কর্মী তার অপর কর্মীকে হত্যা করছে। এদের কাছে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়।’তিনি বলেন, ‘আদর্শিক ও নৈতিক জ্ঞানে দেশের মানুষরা তৈরি না হলে আমাদের দেশের সংকটগুলো কাটবে না।

এগুলোর বাস্তবায়ন করা না হলে সংবিধান পরিবর্তন করেও কোনো সুফল আসবে না।’