ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ অভিনয়ের আড়ালে অন্যরকম নিলয় আলমগীর মেসি শাস্তি পাননি, বালোগান কেন লাল কার্ড দেখলেন? ভুয়া প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে কসবায় আটক ২ জন এক লাফে ৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অদ্য ২৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে অথরাইজড অফিসার জোন- ৭ এর দপ্তরে দুইটি গবেষণা পত্র এর সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করা হয় ভূমিকম্প ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে রাজউক । সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি

আরেকটি বাধা পার হতে পারলেই কারামুক্ত হবেন বাবর

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর প্রায় সাড়ে ১৭ বছর আগে আটক হয়েছিলেন। সেই থেকেই কারাবন্দি আছেন বিএনপির এই নেতা। এই নেতার বিরুদ্ধে করা দুর্নীতি, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধারের মতো ঘটনায় করা মামলায় তিনি দণ্ডিত হয়েছিলেন। 

তবে চলতি বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর এসব মামলার আপিল শুনানি শেষে খালাস পাচ্ছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। সবশেষ গত ১৮ ডিসেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় খালাস পান তিনি। তার আইনজীবীর মতে- লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা রয়েছে, যেটিতে যাবজ্জীবন দণ্ড রয়েছে। এটি থেকে যদি খালাস পান তাহলে তিনি কারামুক্ত হবেন।

লুৎফুজ্জামান বাবরের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে আরও একটি যাবজ্জীবন দণ্ডের মামলা রয়েছে, যেটি হাইকোর্টে বিচারাধীন। সেই মামলায় আশা করি তিনি খালাস পাবেন। যদি তিনি খালাস পান তাহলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

১৯৫৮ সালের ১০ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর নেত্রকোনার মদনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালে প্রথমবার তিনি নেত্রকোনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সবশেষ ২০০১ সালে লুৎফুজ্জামান বাবর ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সময় তাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেনা সমির্থত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি। এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। যার মধ্যে দুইটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয়। একটিতে যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়।

এর মধ্যে চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং ১ ডিসেম্বর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে খালাস পান তিনি। সব শেষে ১৮ ডিসেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান বাবর।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ

আরেকটি বাধা পার হতে পারলেই কারামুক্ত হবেন বাবর

আপডেট সময় : ০৩:০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর প্রায় সাড়ে ১৭ বছর আগে আটক হয়েছিলেন। সেই থেকেই কারাবন্দি আছেন বিএনপির এই নেতা। এই নেতার বিরুদ্ধে করা দুর্নীতি, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধারের মতো ঘটনায় করা মামলায় তিনি দণ্ডিত হয়েছিলেন। 

তবে চলতি বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর এসব মামলার আপিল শুনানি শেষে খালাস পাচ্ছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। সবশেষ গত ১৮ ডিসেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় খালাস পান তিনি। তার আইনজীবীর মতে- লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা রয়েছে, যেটিতে যাবজ্জীবন দণ্ড রয়েছে। এটি থেকে যদি খালাস পান তাহলে তিনি কারামুক্ত হবেন।

লুৎফুজ্জামান বাবরের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে আরও একটি যাবজ্জীবন দণ্ডের মামলা রয়েছে, যেটি হাইকোর্টে বিচারাধীন। সেই মামলায় আশা করি তিনি খালাস পাবেন। যদি তিনি খালাস পান তাহলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

১৯৫৮ সালের ১০ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর নেত্রকোনার মদনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালে প্রথমবার তিনি নেত্রকোনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সবশেষ ২০০১ সালে লুৎফুজ্জামান বাবর ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সময় তাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেনা সমির্থত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি। এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। যার মধ্যে দুইটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয়। একটিতে যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়।

এর মধ্যে চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং ১ ডিসেম্বর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে খালাস পান তিনি। সব শেষে ১৮ ডিসেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান বাবর।