ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিবিদ গ্রুপে কর্পোরেট নিষ্ঠুরতা: অন্তঃসত্ত্বা কর্মী বরখাস্ত, গর্ভেই সন্তানের মৃত্যু! শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ অভিনয়ের আড়ালে অন্যরকম নিলয় আলমগীর মেসি শাস্তি পাননি, বালোগান কেন লাল কার্ড দেখলেন? ভুয়া প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে কসবায় আটক ২ জন এক লাফে ৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অদ্য ২৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে অথরাইজড অফিসার জোন- ৭ এর দপ্তরে দুইটি গবেষণা পত্র এর সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করা হয় ভূমিকম্প ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে রাজউক । সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা

নওগাঁয় গলা কেটে চারজন হত্যায় মামলা দায়ের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় গলা কেটে চারজন হত্যায় মামলা দায়ের

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকণ্ড হয়েছে বলে ধারনা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল রাতে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন।

বুধবার সকালে নিয়ামতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশি হেফাজতে থাকারা হলেন, নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা (২৫) এবং ভগ্নিপতি শহিদুল।

NEWS21
NEWS21

নিয়ামতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, গতকাল হত্যাকাণ্ড ঘটার পর থেকে আমরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত সংগ্রহ করি। পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। আলামত গুলো বিশ্লেষণ এবং পুলিশি হেফাজতে থাকাদের জিজ্ঞাসাবাদে যে তথ্য বেরিয়ে আসছে তাতে মনে হচ্ছে এই হত্যাকাণ্ড জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আমরা বিষয়টিকে এই মুহুর্তেই নিশ্চিত করে বলছি না৷ আমরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়েছি এবং বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের সহায়তা নিয়ে ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছি। আরও কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করলে তাদেরকেও পুলিশি হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মরদেহগুলো আজ বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে৷

উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

কৃষিবিদ গ্রুপে কর্পোরেট নিষ্ঠুরতা: অন্তঃসত্ত্বা কর্মী বরখাস্ত, গর্ভেই সন্তানের মৃত্যু!

নওগাঁয় গলা কেটে চারজন হত্যায় মামলা দায়ের

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকণ্ড হয়েছে বলে ধারনা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল রাতে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন।

বুধবার সকালে নিয়ামতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশি হেফাজতে থাকারা হলেন, নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা (২৫) এবং ভগ্নিপতি শহিদুল।

NEWS21
NEWS21

নিয়ামতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, গতকাল হত্যাকাণ্ড ঘটার পর থেকে আমরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত সংগ্রহ করি। পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। আলামত গুলো বিশ্লেষণ এবং পুলিশি হেফাজতে থাকাদের জিজ্ঞাসাবাদে যে তথ্য বেরিয়ে আসছে তাতে মনে হচ্ছে এই হত্যাকাণ্ড জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আমরা বিষয়টিকে এই মুহুর্তেই নিশ্চিত করে বলছি না৷ আমরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়েছি এবং বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের সহায়তা নিয়ে ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছি। আরও কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করলে তাদেরকেও পুলিশি হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মরদেহগুলো আজ বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে৷

উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।