ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৃতীয় পক্ষের চাপেও চীন–বাংলাদেশ সম্পর্ক ভাঙবে না

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

তৃতীয় পক্ষের চাপেও চীন–বাংলাদেশ সম্পর্ক ভাঙবে না

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, তৃতীয় পক্ষের চাপে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্ষুণ্ন হবে না। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।

গতকাল রোববার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর চীনের রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।

তিনি জানান, নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জন্য বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী এবং সমন্বিত, কৌশলগত ও সহযোগী অংশীদার হিসেবে চীন দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সুশাসন নিশ্চিতে চীনের সমর্থন থাকবে।

দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরে তাঁর মা খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তা আরও জোরালো হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের সেই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিতে চীন প্রস্তুত। দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।

বাংলাদেশের ওপর চীনের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা পুরোপুরি জনগণের স্বার্থে। এ কারণে এতে জনগণের সমর্থন রয়েছে। আমাদের সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। এটা বিদেশি কোনো পক্ষের ওপর প্রভাব ফেলবে না। যারা বাংলাদেশে আমাদের সহযোগিতাকে ক্ষুণ্ন করতে চায়, তাদের অপপ্রয়াস ব্যর্থ হবে।

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, এটি শিগগির শুরু হবে– এটি আমার প্রত্যাশা। বৈঠকে তিস্তা নদীসহ অন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

তৃতীয় পক্ষের চাপেও চীন–বাংলাদেশ সম্পর্ক ভাঙবে না

আপডেট সময় : ০২:১৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, তৃতীয় পক্ষের চাপে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্ষুণ্ন হবে না। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।

গতকাল রোববার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর চীনের রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।

তিনি জানান, নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জন্য বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী এবং সমন্বিত, কৌশলগত ও সহযোগী অংশীদার হিসেবে চীন দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সুশাসন নিশ্চিতে চীনের সমর্থন থাকবে।

দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরে তাঁর মা খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তা আরও জোরালো হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের সেই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিতে চীন প্রস্তুত। দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।

বাংলাদেশের ওপর চীনের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা পুরোপুরি জনগণের স্বার্থে। এ কারণে এতে জনগণের সমর্থন রয়েছে। আমাদের সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। এটা বিদেশি কোনো পক্ষের ওপর প্রভাব ফেলবে না। যারা বাংলাদেশে আমাদের সহযোগিতাকে ক্ষুণ্ন করতে চায়, তাদের অপপ্রয়াস ব্যর্থ হবে।

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, এটি শিগগির শুরু হবে– এটি আমার প্রত্যাশা। বৈঠকে তিস্তা নদীসহ অন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।