ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ অভিনয়ের আড়ালে অন্যরকম নিলয় আলমগীর মেসি শাস্তি পাননি, বালোগান কেন লাল কার্ড দেখলেন? ভুয়া প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে কসবায় আটক ২ জন এক লাফে ৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অদ্য ২৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে অথরাইজড অফিসার জোন- ৭ এর দপ্তরে দুইটি গবেষণা পত্র এর সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করা হয় ভূমিকম্প ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে রাজউক । সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি

শীতের দাপট বাড়তে পারে আজ থেকেই

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

শীতের দাপট বাড়তে পারে আজ থেকেই

দেশে শৈত্যপ্রবাহের দাপট টানা দশ দিনের বেশি সময় ধরে চললেও গতকাল বুধবার সেটি সংকুচিত হয়ে এসে শুধু পঞ্চগড়ে ছিল। এতদিন ধরে বিস্তৃত থাকা ঠান্ডার প্রভাব কমতে কমতে এটিই ছিল সবচেয়ে ছোট পরিসরের বিস্তার। তবে শৈত্যপ্রবাহ আবারও ছড়িয়ে

পড়তে পারে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমে নতুন শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগের দিন ছিল ৭.৫ ডিগ্রি। সাত দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তালিকার শীর্ষে রয়েছে এ অঞ্চল। সোমবার ৮.৪, রোববার ৭.৩ ডিগ্রি– প্রতিদিনই ওঠানামা করলেও

শীতের চাপ কিছুতেই কমছে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক সমকালকে জানান, নতুন শৈত্যপ্রবাহ শনিবার পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। এরপর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

NEW21
NEW21

জানুয়ারির শুরুতেই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এ মাসে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে, যার একটি হবে তীব্র মাত্রার। বাস্তবে মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার দাপট ছিল। গত চার দিন ধরে যদিও শৈত্যপ্রবাহে কিছুটা ভাটা দেখা গেছে, কিন্তু

নতুন শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা আবারও জনজীবনকে সতর্কতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও এ ওঠানামার মধ্যেই রয়েছে। গত মঙ্গলবার খানিকটা বাড়লেও গতকাল তা আবার নেমে আসে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগের দিন ছিল ১৬ ডিগ্রি। শহরের

সকাল এখনও ধোঁয়াশায় ঢেকে থাকে। তবে সব মিলিয়ে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল আবারও কঠিন শীতের মুখোমুখি হতে চলেছে। কনকনে ঠান্ডায় কাবু স্থানীয়রা দিনের প্রথমভাগে ঘর থেকে বের হতেও সংকোচ বোধ করছেন। হাটবাজার ও যাতায়াত কমে এসেছে,

ছিন্নমূল মানুষের কষ্ট আরও বাড়ছে। আগামী কয়েক দিন শীত আরও তীব্র হতে পারে– এই সতর্কতা দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর সবাইকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

শাহজালালে অভিযান, উদ্ধার হলো ১৯ কেজি স্বর্ণ

শীতের দাপট বাড়তে পারে আজ থেকেই

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে শৈত্যপ্রবাহের দাপট টানা দশ দিনের বেশি সময় ধরে চললেও গতকাল বুধবার সেটি সংকুচিত হয়ে এসে শুধু পঞ্চগড়ে ছিল। এতদিন ধরে বিস্তৃত থাকা ঠান্ডার প্রভাব কমতে কমতে এটিই ছিল সবচেয়ে ছোট পরিসরের বিস্তার। তবে শৈত্যপ্রবাহ আবারও ছড়িয়ে

পড়তে পারে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমে নতুন শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগের দিন ছিল ৭.৫ ডিগ্রি। সাত দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তালিকার শীর্ষে রয়েছে এ অঞ্চল। সোমবার ৮.৪, রোববার ৭.৩ ডিগ্রি– প্রতিদিনই ওঠানামা করলেও

শীতের চাপ কিছুতেই কমছে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক সমকালকে জানান, নতুন শৈত্যপ্রবাহ শনিবার পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। এরপর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

NEW21
NEW21

জানুয়ারির শুরুতেই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এ মাসে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে, যার একটি হবে তীব্র মাত্রার। বাস্তবে মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার দাপট ছিল। গত চার দিন ধরে যদিও শৈত্যপ্রবাহে কিছুটা ভাটা দেখা গেছে, কিন্তু

নতুন শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা আবারও জনজীবনকে সতর্কতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও এ ওঠানামার মধ্যেই রয়েছে। গত মঙ্গলবার খানিকটা বাড়লেও গতকাল তা আবার নেমে আসে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগের দিন ছিল ১৬ ডিগ্রি। শহরের

সকাল এখনও ধোঁয়াশায় ঢেকে থাকে। তবে সব মিলিয়ে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল আবারও কঠিন শীতের মুখোমুখি হতে চলেছে। কনকনে ঠান্ডায় কাবু স্থানীয়রা দিনের প্রথমভাগে ঘর থেকে বের হতেও সংকোচ বোধ করছেন। হাটবাজার ও যাতায়াত কমে এসেছে,

ছিন্নমূল মানুষের কষ্ট আরও বাড়ছে। আগামী কয়েক দিন শীত আরও তীব্র হতে পারে– এই সতর্কতা দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর সবাইকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছে।