পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের পর এবার ব্যাংকবহির্ভূত ছয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর ঘোষণা করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ছাড়া খুব খারাপ অবস্থায় পড়া তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে আগামীকাল বৃহস্পতিবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পরিচালনা পর্ষদের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠান অবসায়ন করে ব্যক্তি আমানতকারীর মূল টাকার পুরো অংশ ফেরত দেওয়া হবে। এ জন্য সরকারের কাছে ২ হাজার ৬শ কোটি টাকা চাওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে আমানত ফেরত দিতে না পারা, উচ্চ খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি–এই তিন প্রধান সূচকের ভিত্তিতে বিভিন্ন ধাপ শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করা হয়। সর্বশেষ ধাপ হিসেবে চলতি মাসে প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে শুনানি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
জানা গেছে, অকার্যকর ঘোষণার সিদ্ধান্ত হওয়া ছয় প্রতিষ্ঠান হলো–পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, আভিভা ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ও প্রিমিয়ার লিজিং। তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানিকে।
এদিকে, মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না আসায় এবারও নীতি সুদহার ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে পরিচালনা পর্ষদ। আগামীকাল ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মুদ্রানীতির ভঙ্গি প্রকাশ করবেন। মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ধারা বজায় রাখা হবে।
প্রতিনিধির নাম 



















