ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি মমতার দলের সাবেক সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী হচ্ছেন বাংলাদেশে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত শিবিরের সাবেক নেতাদের এনসিপিতে ফেরার হিড়িক সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ

বউয়ের মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান কারাগারে

দ্বিতীয় স্ত্রীর করা যৌতুকের মামলায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে সরাবন তহুরা এ আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ৮ মে বন্দর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হন মাকসুদ হোসেন। ১১ জুন দায়িত্বগ্রহণের
৯ দিনের মাথায় কারাগারে গেলেন তিনি।

কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের পিপি রকিব উদ্দিন আহমেদ।

এর আগে, ২৩ এপ্রিল মাকসুদ হোসেনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী সুলতানা বেগম (৪৩) যৌতুকের
অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৯৮ সালে মাকসুদ হোসেন তাকে বিয়ে করেন।
তাদের একটি কন্যাসন্তান আছে।

সুলতানা বেগমের দাবি, বিয়ের সময়ে প্রথম স্ত্রীর কথা তিনি গোপন রাখেন। বিষয়টি জানতে পেরে সুলতানা বেগম তাকে বাড়িতে তোলার জন্য চাপ দেন। তবে তার কোন কথায় কর্ণপাত করেননি মাকসুদ।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মাকসুদ হোসেন তার পৈত্রিক প্রায় কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বিক্রি করার
জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে বারবার চাপ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর একটি
যৌতুকের মামলা করেন তিনি। চলতি বছর ২১ এপ্রিল রাতে মাকসুদ কয়েকজনকে নিয়ে সুলতানার বাড়িতে গিয়ে মামলা তুলতে চাপ দেন। সেই সঙ্গে সম্পত্তি বিক্রি করলে বাড়িতে তুলবেন বলে প্রলোভন দেখান। এ কথায় রাজি না হওয়ায় মেয়ে শ্রাবন্তিসহ সুলতানা বেগমকে হত্যার হুমকি দেন মাকসুদ। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেন সুলতানা বেগম। আজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি

বউয়ের মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান কারাগারে

আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

দ্বিতীয় স্ত্রীর করা যৌতুকের মামলায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে সরাবন তহুরা এ আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ৮ মে বন্দর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হন মাকসুদ হোসেন। ১১ জুন দায়িত্বগ্রহণের
৯ দিনের মাথায় কারাগারে গেলেন তিনি।

কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের পিপি রকিব উদ্দিন আহমেদ।

এর আগে, ২৩ এপ্রিল মাকসুদ হোসেনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী সুলতানা বেগম (৪৩) যৌতুকের
অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৯৮ সালে মাকসুদ হোসেন তাকে বিয়ে করেন।
তাদের একটি কন্যাসন্তান আছে।

সুলতানা বেগমের দাবি, বিয়ের সময়ে প্রথম স্ত্রীর কথা তিনি গোপন রাখেন। বিষয়টি জানতে পেরে সুলতানা বেগম তাকে বাড়িতে তোলার জন্য চাপ দেন। তবে তার কোন কথায় কর্ণপাত করেননি মাকসুদ।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মাকসুদ হোসেন তার পৈত্রিক প্রায় কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বিক্রি করার
জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে বারবার চাপ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর একটি
যৌতুকের মামলা করেন তিনি। চলতি বছর ২১ এপ্রিল রাতে মাকসুদ কয়েকজনকে নিয়ে সুলতানার বাড়িতে গিয়ে মামলা তুলতে চাপ দেন। সেই সঙ্গে সম্পত্তি বিক্রি করলে বাড়িতে তুলবেন বলে প্রলোভন দেখান। এ কথায় রাজি না হওয়ায় মেয়ে শ্রাবন্তিসহ সুলতানা বেগমকে হত্যার হুমকি দেন মাকসুদ। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেন সুলতানা বেগম। আজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।