ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি মমতার দলের সাবেক সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী হচ্ছেন বাংলাদেশে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত শিবিরের সাবেক নেতাদের এনসিপিতে ফেরার হিড়িক সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ

এবার গরমে মৃত্যু হয়নি কোনো হাজির : সৌদি আরব

  • Meghla
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

গত বছরের মতো চলতি বছরও ব্যাপক গরমের মধ্যে হজ করেছেন সৌদি আরব এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা। তবে গতবারের তুলনায় এবারের হজে গরমের কারণে কারো মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি। আর গরমজনিত অসুস্থতাও ছিল গত বছরের চেয়ে ৯০ শাতংশ কম।

এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে সৌদির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে এ অর্জনের কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে  সরকারি স্বাস্থ্য সেবা দপ্তর, ডাক্তার, নার্স এবং সম্পর্কিত অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে।

আরও বলা হয়েছে, ছায়াযুক্ত এলাকার আয়তন বাড়ানো, হজযাত্রীদের গরমজনিত কষ্ট লাঘবে কুলিং সিস্টেমসহ পর্যাপ্ত পরিমাণে অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সর্বোপরি সচেতনতার কারণে এবার গ্রীষ্মকালীন তীব্র গরম সত্ত্বেও হাজিদের মধ্যে অস্বস্তির পরিমাণ ছিল কম।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়- আমাদের ভিশন ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও দক্ষ ও সক্রিয় করা এবং হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ পরিষেবা প্রদান করা। এ দু’টি ক্ষেত্রেই আমাদের চলতি বছরের পারফরম্যান্স আশাব্যাঞ্জক। আমরা চাই প্রত্যেক হজযাত্রী যেন নিরাপদে এবং স্বস্তির সঙ্গে তাদের হজ সম্পূর্ণ করতে পারেন।

মরু আবহাওয়ার দেশ সৌদি আরবে জুনমাসে ভরপুর গ্রীষ্মকাল থাকে। এ সময় দিনের বেলা প্রায়েই তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসও ছাড়িয়ে যায়।

গত বছর হজ হয়েছিল জুনের মাঝামাঝি। অসহনীয় গরমে সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৩ শতাধিক মুসল্লি, অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন আরও কয়েক হাজার।

চলতি ২০২৫ সালে হজ শুরু হয়েছে ৪ জুন, শেষ হয়েছে ৬ তারিখ। সৌদির পরিসংখ্যান দপ্তর গাস্তাতের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর হজ করেছেন মোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন মুসল্লি। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন ছিলেন সৌদির, বাকিরা সবাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি

এবার গরমে মৃত্যু হয়নি কোনো হাজির : সৌদি আরব

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

গত বছরের মতো চলতি বছরও ব্যাপক গরমের মধ্যে হজ করেছেন সৌদি আরব এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা। তবে গতবারের তুলনায় এবারের হজে গরমের কারণে কারো মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি। আর গরমজনিত অসুস্থতাও ছিল গত বছরের চেয়ে ৯০ শাতংশ কম।

এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে সৌদির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে এ অর্জনের কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে  সরকারি স্বাস্থ্য সেবা দপ্তর, ডাক্তার, নার্স এবং সম্পর্কিত অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে।

আরও বলা হয়েছে, ছায়াযুক্ত এলাকার আয়তন বাড়ানো, হজযাত্রীদের গরমজনিত কষ্ট লাঘবে কুলিং সিস্টেমসহ পর্যাপ্ত পরিমাণে অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সর্বোপরি সচেতনতার কারণে এবার গ্রীষ্মকালীন তীব্র গরম সত্ত্বেও হাজিদের মধ্যে অস্বস্তির পরিমাণ ছিল কম।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়- আমাদের ভিশন ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও দক্ষ ও সক্রিয় করা এবং হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ পরিষেবা প্রদান করা। এ দু’টি ক্ষেত্রেই আমাদের চলতি বছরের পারফরম্যান্স আশাব্যাঞ্জক। আমরা চাই প্রত্যেক হজযাত্রী যেন নিরাপদে এবং স্বস্তির সঙ্গে তাদের হজ সম্পূর্ণ করতে পারেন।

মরু আবহাওয়ার দেশ সৌদি আরবে জুনমাসে ভরপুর গ্রীষ্মকাল থাকে। এ সময় দিনের বেলা প্রায়েই তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসও ছাড়িয়ে যায়।

গত বছর হজ হয়েছিল জুনের মাঝামাঝি। অসহনীয় গরমে সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৩ শতাধিক মুসল্লি, অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন আরও কয়েক হাজার।

চলতি ২০২৫ সালে হজ শুরু হয়েছে ৪ জুন, শেষ হয়েছে ৬ তারিখ। সৌদির পরিসংখ্যান দপ্তর গাস্তাতের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর হজ করেছেন মোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন মুসল্লি। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন ছিলেন সৌদির, বাকিরা সবাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছিলেন।