ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ হরমুজ প্রণালি সংকটে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে দায়ী করল চীন দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া নেই কোনো বিকল্প ১২ কেজি এলপিজির দাম এক লাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা

‘আওয়ামী লীগ সুযোগ পেলে কাউকে ছাড়বে না’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি সুযোগ পায় তাহলে কিন্তু কাউকে ছাড়বে না। আওয়ামী লীগকে কামব্যাক করানোর জন্য ন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল অনেক এজেন্ট কাজ করবে, ফান্ড দেবে। কাজেই ছাত্রদেরসহ সব রাজনৈতিক দলকে বলব, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করুন এবং করতেই হবে।’

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে পেশাজীবী অধিকার পরিষদ আয়োজিত গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নুর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার প্রশ্নে কোনো ছাত্রকে আমরা শক্ত অবস্থানে দেখছি না। এ বিষয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালানোর দরকার ছিল। কিন্তু বুঝতে পারছি না তারা কেন আওয়ামী লীগের প্রশ্নে একটা সুবিধাবাদী অবস্থায় আছে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে সাধারণ কৃষক, শ্রমিক, জনতার সন্তানরা প্রাণ দিয়েছেন। আপনারা দেখান তো কয়জন সচিবের ছেলে, এমপির ছেলে মারা গেছে? কিন্তু এর সুবিধা ভোগ করেছে এই সমাজের উচ্চবিত্ত, ধনী, লুটেরা ও সিন্ডিকেট শ্রেণি। এজন্যই আমরা বলেছি আমাদের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রয়োজন হবে। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আমরা চাই। এটা যদি জনগণ উপলব্ধি না করে তাহলে কিন্তু যেই লাউ সেই কদু।’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘আপনারা এই সরকারের নাম দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অন্তর্বর্তী নাম দিয়েই খেয়েছেন আপনারা। নাম হওয়া উচিত ছিল সর্বদলীয় জাতীয় সরকার। কিন্তু আপনারা করেননি। আপনারা ভেবেছিলেন খুবই সহজ, সবাই আজীবনের জন্য মেনে নেবে? আপনারা দেখেন পাঁচ মাস যেতে না যেতেই সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো মুখোমুখি দাঁড়াচ্ছে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে না। আপনাদের এই ঝগড়াঝাঁটি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করবেন কোন সময়?’

জাতীয় সরকারের বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি নির্বাচন যদি আগামী বছরের ডিসেম্বরে হয় বা পরবর্তী জুন-জুলাইয়ে হয়, জাতীয় সরকার ছাড়া কোনোভাবেই এই বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আমরা এখন অনুরোধ করব যেই দল জাতীয় সরকারে যাবে না, জনগণ তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। জনগণ কাউকে এককভাবে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জনগণ রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন চায়, সংস্কার চায়। রাষ্ট্রকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করতে চায়। আর সেটার জন্য জাতীয় সরকারের বিকল্প নেই।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান প্রমুখ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026

‘আওয়ামী লীগ সুযোগ পেলে কাউকে ছাড়বে না’

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি সুযোগ পায় তাহলে কিন্তু কাউকে ছাড়বে না। আওয়ামী লীগকে কামব্যাক করানোর জন্য ন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল অনেক এজেন্ট কাজ করবে, ফান্ড দেবে। কাজেই ছাত্রদেরসহ সব রাজনৈতিক দলকে বলব, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করুন এবং করতেই হবে।’

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে পেশাজীবী অধিকার পরিষদ আয়োজিত গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নুর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার প্রশ্নে কোনো ছাত্রকে আমরা শক্ত অবস্থানে দেখছি না। এ বিষয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালানোর দরকার ছিল। কিন্তু বুঝতে পারছি না তারা কেন আওয়ামী লীগের প্রশ্নে একটা সুবিধাবাদী অবস্থায় আছে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে সাধারণ কৃষক, শ্রমিক, জনতার সন্তানরা প্রাণ দিয়েছেন। আপনারা দেখান তো কয়জন সচিবের ছেলে, এমপির ছেলে মারা গেছে? কিন্তু এর সুবিধা ভোগ করেছে এই সমাজের উচ্চবিত্ত, ধনী, লুটেরা ও সিন্ডিকেট শ্রেণি। এজন্যই আমরা বলেছি আমাদের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রয়োজন হবে। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আমরা চাই। এটা যদি জনগণ উপলব্ধি না করে তাহলে কিন্তু যেই লাউ সেই কদু।’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘আপনারা এই সরকারের নাম দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অন্তর্বর্তী নাম দিয়েই খেয়েছেন আপনারা। নাম হওয়া উচিত ছিল সর্বদলীয় জাতীয় সরকার। কিন্তু আপনারা করেননি। আপনারা ভেবেছিলেন খুবই সহজ, সবাই আজীবনের জন্য মেনে নেবে? আপনারা দেখেন পাঁচ মাস যেতে না যেতেই সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো মুখোমুখি দাঁড়াচ্ছে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে না। আপনাদের এই ঝগড়াঝাঁটি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করবেন কোন সময়?’

জাতীয় সরকারের বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি নির্বাচন যদি আগামী বছরের ডিসেম্বরে হয় বা পরবর্তী জুন-জুলাইয়ে হয়, জাতীয় সরকার ছাড়া কোনোভাবেই এই বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আমরা এখন অনুরোধ করব যেই দল জাতীয় সরকারে যাবে না, জনগণ তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। জনগণ কাউকে এককভাবে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জনগণ রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন চায়, সংস্কার চায়। রাষ্ট্রকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করতে চায়। আর সেটার জন্য জাতীয় সরকারের বিকল্প নেই।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান প্রমুখ।