ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইপিটিভিতে অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবার আর্থিক বিষয়ে নিজেকে দূরে রাখলেন পূজা চেরি ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারাই ছিলেন বন্দুকধারীর টার্গেট: সিবিএস সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত চূড়ান্ত ধাপে, জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল চট্টগ্রামে খননকাজে মাটি ধস, প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের বিজেপিকে হারাতে মাঠে সায়ন্তিকা, বরানগরে প্রচারে দেব-জিতের নায়িকা শনিবার ঢাকায় জামায়াতের বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে ট্রাম্প কেন হঠাৎ করেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টভাবে বাড়ালেন? নওগাঁয় গলা কেটে চারজন হত্যায় মামলা দায়ের গুরুতর অসুস্থ অভিনেতা, খেতেও পারছেন না—জানালেন স্ত্রী

জ্বরে আক্রান্ত হলে মুমিনের করণীয়

জ্বর একটি প্রসিদ্ধ রোগ। সারা বছর এর প্রকোপ লক্ষণীয়। এটি মানুষের শারীরিক ও মানসিক শক্তি ক্ষয় করে। জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শারীরিক ও আত্মিক কিছু কাজ করতে ইসলাম উৎসাহিত করেছে। এগুলো সব মুসলমানের জানা ও আমল করা প্রয়োজন।

বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির মাধ্যমে মুমিনদের পাপ মোচন হয়। তাই জ্বর বা অন্য কোনো রোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ না করে ধৈর্য ধারণ করতে বলা হয়েছে। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন উম্মে সায়িব কিংবা উম্মুল মুসায়্যিব (রা.)-এর কাছে গিয়ে বলেন, তোমার কী হয়েছে হে উম্মে সায়িব অথবা উম্মুল মুসায়্যিব! কাঁপছ কেন? তিনি বলেন, ভীষণ জ্বর, এতে আল্লাহ বরকত না দিন। তখন তিনি বলেন, তুমি জ্বরকে গালি দিয়ো না। জ্বর আদম সন্তানের গুনাহসমূহ বিদূরিত করে দেয়, যেভাবে (কামারের) হাপর লোহার মরিচা দূর করে দেয়। (মুসলিম, হাদিস : ৬৩৩৬)

জ্বরের সময় শরীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা সৃষ্টি করে, যা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। পানি দিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে।আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতেও জ্বর নিয়ন্ত্রণে পানি ব্যবহারের বিকল্প নেই। ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জ্বরের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের তাপ থেকে। তাই পানি দিয়ে তোমরা তাকে ঠাণ্ডা করবে। (মুসলিম, হাদিস : ৫৫৬৪)

ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি জ্বর কমানোর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) জ্বর এবং সব ধরনের বেদনার ক্ষেত্রে এই বলতে শিখেয়েছেন—‘বিসমিল্লাহিল কাবির, আউযু বিল্লাহিল আজীম, মিন শররি কুল্লি ইরকিন না’আরিন, ওয়া মিন শররি হাররিন নার।’ অর্থ : মহান আল্লাহর নামে শুরু করছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই প্রত্যেক উত্তপ্ত শিরার অনিষ্ট থেকে এবং আগুনের উত্তাপের অনিষ্ট থেকে। (তিরমিজি, হাদিস : ২০৭৫)

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইপিটিভিতে অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জ্বরে আক্রান্ত হলে মুমিনের করণীয়

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

জ্বর একটি প্রসিদ্ধ রোগ। সারা বছর এর প্রকোপ লক্ষণীয়। এটি মানুষের শারীরিক ও মানসিক শক্তি ক্ষয় করে। জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শারীরিক ও আত্মিক কিছু কাজ করতে ইসলাম উৎসাহিত করেছে। এগুলো সব মুসলমানের জানা ও আমল করা প্রয়োজন।

বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির মাধ্যমে মুমিনদের পাপ মোচন হয়। তাই জ্বর বা অন্য কোনো রোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ না করে ধৈর্য ধারণ করতে বলা হয়েছে। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন উম্মে সায়িব কিংবা উম্মুল মুসায়্যিব (রা.)-এর কাছে গিয়ে বলেন, তোমার কী হয়েছে হে উম্মে সায়িব অথবা উম্মুল মুসায়্যিব! কাঁপছ কেন? তিনি বলেন, ভীষণ জ্বর, এতে আল্লাহ বরকত না দিন। তখন তিনি বলেন, তুমি জ্বরকে গালি দিয়ো না। জ্বর আদম সন্তানের গুনাহসমূহ বিদূরিত করে দেয়, যেভাবে (কামারের) হাপর লোহার মরিচা দূর করে দেয়। (মুসলিম, হাদিস : ৬৩৩৬)

জ্বরের সময় শরীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা সৃষ্টি করে, যা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। পানি দিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে।আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতেও জ্বর নিয়ন্ত্রণে পানি ব্যবহারের বিকল্প নেই। ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জ্বরের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের তাপ থেকে। তাই পানি দিয়ে তোমরা তাকে ঠাণ্ডা করবে। (মুসলিম, হাদিস : ৫৫৬৪)

ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি জ্বর কমানোর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) জ্বর এবং সব ধরনের বেদনার ক্ষেত্রে এই বলতে শিখেয়েছেন—‘বিসমিল্লাহিল কাবির, আউযু বিল্লাহিল আজীম, মিন শররি কুল্লি ইরকিন না’আরিন, ওয়া মিন শররি হাররিন নার।’ অর্থ : মহান আল্লাহর নামে শুরু করছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই প্রত্যেক উত্তপ্ত শিরার অনিষ্ট থেকে এবং আগুনের উত্তাপের অনিষ্ট থেকে। (তিরমিজি, হাদিস : ২০৭৫)