ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাজার বিঘা পাকা ধানক্ষেত ব্রিটিশদের ভূমিকা না থাকলে আমেরিকায় ফরাসি ভাষাই হতো প্রধান, ট্রাম্পকে রাজার কটাক্ষ পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কাজের চাপে ব্যস্ত দীপিকা, নেই দম নেওয়ার সুযোগ অন্য দেশকে নির্দেশ দেওয়ার অবস্থায় আর নেই যুক্তরাষ্ট্র: ইরান ঈশাণকোনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে: সাইফুল হক

সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া

  • সুইটি আহামেদ
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

বাজারে উঠেছে শীতের সবজি। তবে কিছু কিছু সবজির দাম কম থাকলেও অধিকাংশ এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লেও বিক্রেতারা আগের দামেই চালিয়ে যেতে চাইছেন- এমন অভিযো করেছেন ক্রেতাদের। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর ভাটারা, রামপুরার বিভিন্ন এলাকায় বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন ৭০-৮০ টাকায়, বরবটি ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স বাজার ভেদে প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি আকার ভেদে প্রতিটি ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, পাতাকপি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুলা বাজার ভেদে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং গাজর ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মিষ্টি কুমড়ার কেজি  ৪০-৫০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, শসা বাজার ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৯০ টাকা, লাউ ৪৫-৬০ টাকা, ক্যাপসিকাম ৩০০ টাকা এবং পাকা টমেটোর কেজি ১৩০ টাকা। বিটের কেজি ২২০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

তবে দাম কমার তালিকায় রয়েছে শিম ও কাঁচা মরিচের। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ধরন ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরেও। কাঁচা মরিচের কেজি ১০০-১২০ টাকা। লাল শাক, পালং, কলমি লতার আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্য সময়ে এসব শাক ২০ টাকা আঁটি বিক্রি হতো।

বাজারে পুরাতন আলু ৭৫ টাকা, নতুন আলু ৯০ টাকা। ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। বাজার ভেদে প্রতি হালি ডিমের দাম ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা।  দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, আমদানি রসুন ২৪০ টাকা, দেশি রসুন ধরন ভেদে ১৬০ টাকা থেকে ১৯০ টাকা। আদা দেশি ১৪০ টাকা, আমদানি করা বড় আদা ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর খুচরা বাজারে চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা কেজি। মিনিকেট (মোজাম্মেল) ৭৮ টাকা, রশিদ ব্র্যান্ডের চিকন চাল ৭৫ টাকা। মধ্যমমানের চিকন চাল আঠাশ বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকায়। গুটি চাল ৫৫ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা।

রাজধানীর বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি, দামে কোনো পরিবর্তন নেই।  প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির ১৯০ টাকা,  সোনালী ৩২০ টাকা এবং লেয়ার ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭০০ টাকা ও খাসির মাংস  ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায়, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা। বড় রুই-কাতলার দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি।

পাঙাশ আকার ভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে সিলভার কার্প। তুলনামূলক কম দামের মাছের মধ্যে তেলাপিয়া বাজার ও আকার ভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে

সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া

আপডেট সময় : ১১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বাজারে উঠেছে শীতের সবজি। তবে কিছু কিছু সবজির দাম কম থাকলেও অধিকাংশ এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লেও বিক্রেতারা আগের দামেই চালিয়ে যেতে চাইছেন- এমন অভিযো করেছেন ক্রেতাদের। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর ভাটারা, রামপুরার বিভিন্ন এলাকায় বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন ৭০-৮০ টাকায়, বরবটি ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স বাজার ভেদে প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি আকার ভেদে প্রতিটি ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, পাতাকপি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুলা বাজার ভেদে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং গাজর ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মিষ্টি কুমড়ার কেজি  ৪০-৫০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, শসা বাজার ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৯০ টাকা, লাউ ৪৫-৬০ টাকা, ক্যাপসিকাম ৩০০ টাকা এবং পাকা টমেটোর কেজি ১৩০ টাকা। বিটের কেজি ২২০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

তবে দাম কমার তালিকায় রয়েছে শিম ও কাঁচা মরিচের। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ধরন ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরেও। কাঁচা মরিচের কেজি ১০০-১২০ টাকা। লাল শাক, পালং, কলমি লতার আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্য সময়ে এসব শাক ২০ টাকা আঁটি বিক্রি হতো।

বাজারে পুরাতন আলু ৭৫ টাকা, নতুন আলু ৯০ টাকা। ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। বাজার ভেদে প্রতি হালি ডিমের দাম ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা।  দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, আমদানি রসুন ২৪০ টাকা, দেশি রসুন ধরন ভেদে ১৬০ টাকা থেকে ১৯০ টাকা। আদা দেশি ১৪০ টাকা, আমদানি করা বড় আদা ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর খুচরা বাজারে চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা কেজি। মিনিকেট (মোজাম্মেল) ৭৮ টাকা, রশিদ ব্র্যান্ডের চিকন চাল ৭৫ টাকা। মধ্যমমানের চিকন চাল আঠাশ বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকায়। গুটি চাল ৫৫ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা।

রাজধানীর বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি, দামে কোনো পরিবর্তন নেই।  প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির ১৯০ টাকা,  সোনালী ৩২০ টাকা এবং লেয়ার ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭০০ টাকা ও খাসির মাংস  ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায়, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা। বড় রুই-কাতলার দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি।

পাঙাশ আকার ভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে সিলভার কার্প। তুলনামূলক কম দামের মাছের মধ্যে তেলাপিয়া বাজার ও আকার ভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।