সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে দেশে রমজান সংস্কৃতি
রমজান এক গভীর আধ্যাত্মিক মাস, যা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন আচার ও রীতি-নীতি পালন করার মাধ্যমে উদযাপিত হয়। আজকের প্রবন্ধে আমরা
সাহরি ও ইফতার বরকতময় দুটি মুহূর্ত
সাহরি ও ইফতার রোজার গুরুত্বপূর্ণ দুটি অনুষঙ্গ। এ দুটি বিষয়ে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রয়েছে চমৎকার নির্দেশনা। সাহরিতে বরকত রয়েছে
রমজানে চার কাজ বেশি বেশি করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় উম্মতের মুক্তি ও নাজাতের চিন্তায় থাকতেন। তাদের সওয়াবের পাল্লা কিভাবে ভারী হয়, সে কথা বাতলে দিতেন।
কোরআন নাজিলের মাস মাহে রমজান
রমজান মাস আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি অপার অনুগ্রহ। মানুষ যেন তাওবার মাধ্যমে পাপ মোচন করতে পারে, অল্প ইবাদতে
যেমন ছিল পূর্ববর্তী নবীদের রোজা
হিজরি বর্ষের নবম মাস রমজান। রমজান সব মাসের শ্রেষ্ঠ। ইসলামের অন্যতম বিধান রোজা এ মাসে পালিত হয়। রোজার বিধান শুধু
রমজানের আধুনিক কিছু মাসআলা
মাসআলা : এক দেশে চাঁদ দেখে রোজা রাখার পর কেউ যদি অন্য কোনো দেশে চলে যায়, তাহলে সে ওই দেশের
বিতর নামাজের পর নবীজি (সা.) যে দোয়া পড়তেন
এখন পবিত্র রমজান মাস। তাই প্রত্যেক মুমিন মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে তারাবির নামাজ আদায় করার চেষ্টা করেন। তারাবির প্রতি চার
রোজা না রাখার ভয়াবহতা
রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ওপর পবিত্র রমজান মাসের রোজা ফরজ করেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,
ইফতারের ফজিলত ও বরকত
রোজা আল্লাহর সর্বাধিক পছন্দনীয় আমল। এর প্রতিদান স্বয়ং তিনি নিজ হাতে দেবেন বলে হাদিসে কুদসিতে ঘোষণা করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.)
রমজানে আল্লাহর নৈকট্য লাভের ১০ আমল
রমজান আল্লাহর নৈকট্য ও পুণ্য লাভের সর্বোত্তম সময়। কেননা রমজান মাসে আল্লাহ রহমতের দুয়ার খুলে দেন এবং প্রতি নেক কাজের














