ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাজার বিঘা পাকা ধানক্ষেত ব্রিটিশদের ভূমিকা না থাকলে আমেরিকায় ফরাসি ভাষাই হতো প্রধান, ট্রাম্পকে রাজার কটাক্ষ পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কাজের চাপে ব্যস্ত দীপিকা, নেই দম নেওয়ার সুযোগ অন্য দেশকে নির্দেশ দেওয়ার অবস্থায় আর নেই যুক্তরাষ্ট্র: ইরান ঈশাণকোনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে: সাইফুল হক

জো বাইডেনের ক্ষমার আদেশ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিসমাসের দিনে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ক্ষমার আদেশের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প ৩৭ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘নরকে যাও।’  

ট্রাম্প বরাবরই মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে জোরাল অবস্থান নিয়েছেন। বাইডেনের সিদ্ধান্তকে আক্রমণ করে তার প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, এই ৩৭ জন সবচেয়ে সহিংস অপরাধী, যারা হত্যা, ধর্ষণ এবং লুটপাট করেছে। অথচ তাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন স্লিপি জো বাইডেন। আমি তাদেরকে ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা জানাতে পারি না, বরং বলি, ‘নরকে যাও!’  

জো বাইডেন একসময় মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে ছিলেন। সোমবার তার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আমার বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়ে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, আমাদের ফেডারেল স্তরে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করতে হবে। আমি চুপচাপ বসে থাকতে পারি না এবং একটি নতুন প্রশাসনকে আবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সুযোগ দিতে পারি না।

বাইডেনের আদেশে ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪০ জনের মধ্যে ৩৭ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করা হয়েছে। তবে তিনজনের সাজা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যাদের অপরাধ সন্ত্রাস বা ঘৃণামূলক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত। এদের মধ্যে রয়েছে ২০১৩ সালের বোস্টন ম্যারাথন বোমা হামলার অপরাধী জোখার সর্নায়েভ।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতির পর আবার ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু করেছিলেন এবং তার প্রশাসনে ১০ জনেরও বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল। এই সংখ্যা তার পূর্ববর্তী ১০ প্রেসিডেন্টের সম্মিলিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সংখ্যার চেয়েও বেশি।

বাইডেনের সিদ্ধান্ত নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের পুত্র মার্টিন লুথার কিং তৃতীয় বাইডেনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সাজা কমানো ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, এবং ৩৮% কালো সম্প্রদায়ের মানুষ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে

জো বাইডেনের ক্ষমার আদেশ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা

আপডেট সময় : ০১:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিসমাসের দিনে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ক্ষমার আদেশের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প ৩৭ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘নরকে যাও।’  

ট্রাম্প বরাবরই মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে জোরাল অবস্থান নিয়েছেন। বাইডেনের সিদ্ধান্তকে আক্রমণ করে তার প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, এই ৩৭ জন সবচেয়ে সহিংস অপরাধী, যারা হত্যা, ধর্ষণ এবং লুটপাট করেছে। অথচ তাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন স্লিপি জো বাইডেন। আমি তাদেরকে ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা জানাতে পারি না, বরং বলি, ‘নরকে যাও!’  

জো বাইডেন একসময় মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে ছিলেন। সোমবার তার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আমার বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়ে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, আমাদের ফেডারেল স্তরে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করতে হবে। আমি চুপচাপ বসে থাকতে পারি না এবং একটি নতুন প্রশাসনকে আবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সুযোগ দিতে পারি না।

বাইডেনের আদেশে ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪০ জনের মধ্যে ৩৭ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করা হয়েছে। তবে তিনজনের সাজা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যাদের অপরাধ সন্ত্রাস বা ঘৃণামূলক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত। এদের মধ্যে রয়েছে ২০১৩ সালের বোস্টন ম্যারাথন বোমা হামলার অপরাধী জোখার সর্নায়েভ।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতির পর আবার ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু করেছিলেন এবং তার প্রশাসনে ১০ জনেরও বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল। এই সংখ্যা তার পূর্ববর্তী ১০ প্রেসিডেন্টের সম্মিলিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সংখ্যার চেয়েও বেশি।

বাইডেনের সিদ্ধান্ত নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের পুত্র মার্টিন লুথার কিং তৃতীয় বাইডেনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সাজা কমানো ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, এবং ৩৮% কালো সম্প্রদায়ের মানুষ।